সমতা না ফিরলে ৬০ মিনিটেই নামতেন নেইমার!
জাপানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের নাটকীয় জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ার পর ব্রাজিল শিবিরে এখন স্বস্তির হাওয়া। তবে ম্যাচ শেষে এক বিস্ফোরক ও কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য ফাঁস করেছেন সেলেসাওদের মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হলে বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা নেইমার জুনিয়রকে অনেক আগেই মাঠে নামিয়ে দিতেন তিনি! মূলত ম্যাচের নির্ধারিত সময়েই সমতা আসায় নেইমারকে নিয়ে নিজের পরিকল্পনা বদলে ফেলেন এই ইতালিয়ান কোচ।
ম্যাচ শেষে ‘কাজে টিভি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর তিনি সান্তোস তারকার সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
আনচেলত্তির পরিকল্পনা ছিল, ব্রাজিল যদি দ্রুত সমতায় ফিরতে না পারে তবে ম্যাচের ৬০ বা ৬৫ মিনিটের মাথায় নেইমারকে মাঠে নামিয়ে দেবেন। কিন্তু ম্যাচের ৫৬ মিনিটেই কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে ব্রাজিল সমতায় ফেরায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন কোচ।
আনচেলত্তি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘ম্যাচে সমতা আসার পর আমি হুট করে ফরম্যাশন বা ট্যাকটিকাল স্ট্রাকচার পরিবর্তন করতে চাইনি। কারণ সমতায় ফেরার পর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে চলে এসেছিল। তাই আমি নেইমারকে অত
জাপানের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানের নাটকীয় জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ার পর ব্রাজিল শিবিরে এখন স্বস্তির হাওয়া। তবে ম্যাচ শেষে এক বিস্ফোরক ও কৌতূহলোদ্দীপক তথ্য ফাঁস করেছেন সেলেসাওদের মাস্টারমাইন্ড কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
তিনি জানিয়েছেন, ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হলে বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা নেইমার জুনিয়রকে অনেক আগেই মাঠে নামিয়ে দিতেন তিনি! মূলত ম্যাচের নির্ধারিত সময়েই সমতা আসায় নেইমারকে নিয়ে নিজের পরিকল্পনা বদলে ফেলেন এই ইতালিয়ান কোচ।
ম্যাচ শেষে ‘কাজে টিভি’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আনচেলত্তি জানান, প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকার পর তিনি সান্তোস তারকার সঙ্গে কথা বলেছিলেন।
আনচেলত্তির পরিকল্পনা ছিল, ব্রাজিল যদি দ্রুত সমতায় ফিরতে না পারে তবে ম্যাচের ৬০ বা ৬৫ মিনিটের মাথায় নেইমারকে মাঠে নামিয়ে দেবেন। কিন্তু ম্যাচের ৫৬ মিনিটেই কাসেমিরোর দুর্দান্ত হেডে ব্রাজিল সমতায় ফেরায় সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন কোচ।
আনচেলত্তি ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘ম্যাচে সমতা আসার পর আমি হুট করে ফরম্যাশন বা ট্যাকটিকাল স্ট্রাকচার পরিবর্তন করতে চাইনি। কারণ সমতায় ফেরার পর পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে চলে এসেছিল। তাই আমি নেইমারকে অতিরিক্ত সময়ের জন্য বাঁচিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত নিই।’
তবে অতিরিক্ত সময়ের সেই প্রয়োজনও আর পড়েনি; কারণ ইনজুরি টাইমের ষষ্ঠ মিনিটে গাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির চমৎকার গোলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল।
ম্যাচে ইনজুরির কারণে মাঠ ছাড়তে হওয়া লুকাস পাকেতা এবং মিডফিল্ডার কাসেমিরোর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনচেলত্তি জানান, তাদের চোট কতটা গুরুতর সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো তথ্য নেই, আরও অন্তত এক দিন অপেক্ষা করতে হবে।
কঠিন ম্যাচ জিতে কোয়ার্টারে ওঠার পর দলের সাইড বেঞ্চ এবং স্কোয়াডের গভীরতার প্রশংসা করে আনচেলত্তি বলেন, ‘আমাদের বেঞ্চ এবং মাঠ সবখানেই প্রচুর বিকল্প ও সম্পদ রয়েছে। এটা দারুণ যে খেলোয়াড়রা ব্যক্তিগতভাবে ভালো করার পাশাপাশি দলগতভাবে কঠোর পরিশ্রম করছে।’
লড়াকু জাপানকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এটি অত্যন্ত কঠিন একটি ম্যাচ ছিল। জাপান মোটেও সহজ প্রতিপক্ষ নয়, তারা ভীষণ গোছানো এবং মাঠে তীব্র গতি ছড়ানো একটি দল। এমন দলের বিপক্ষে যোগ্য দল হিসেবে জয় পাওয়াটা সত্যিই দারুণ ব্যাপার।’