সমীর দাসের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি : মিন্টু

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত সমীর দাসের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি। যারা এই বর্বরোচিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।  মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনীর দাগনভুঞার মাতুভুঞা ইউপির রামানন্দপুরে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত সমীর দাসের বাড়িতে গিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। মিন্টু বলেন, আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব যেন প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয় এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। আমি সমীরের পরিবারকে কথা দিচ্ছি- কখনো তাদের ভুলব না। সামনে তো নির্বাচন, এর পরে আমি পরিবারটিকে যত প্রকার সহযোগিতা করা সম্ভব করব। এখানে হিন্দু-মুসলমান বলে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দাগনভুঞা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল নুরসী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবির আহমদ ডিপলু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মতিউর রহমান চৌধু

সমীর দাসের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি : মিন্টু

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও ফেনী-৩ আসনের সংসদ সদস্য পদ প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, সন্ত্রাসীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত সমীর দাসের পরিবারের পাশে থাকবে বিএনপি। যারা এই বর্বরোচিত ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। 

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে ফেনীর দাগনভুঞার মাতুভুঞা ইউপির রামানন্দপুরে সন্ত্রাসীদের হাতে নিহত সমীর দাসের বাড়িতে গিয়ে এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন।

মিন্টু বলেন, আমরা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলব যেন প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হয় এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হয়। আমি সমীরের পরিবারকে কথা দিচ্ছি- কখনো তাদের ভুলব না। সামনে তো নির্বাচন, এর পরে আমি পরিবারটিকে যত প্রকার সহযোগিতা করা সম্ভব করব। এখানে হিন্দু-মুসলমান বলে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দাগনভুঞা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব কামরুল উদ্দিন, সাবেক উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক বদরুল নুরসী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কবির আহমদ ডিপলু, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি মতিউর রহমান চৌধুরী পলাশ, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি হারিছ আহমদ পেয়ারসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। 

উল্লেখ্য, এর আগে সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাত ২টার দিকে দাগনভূঞা থানাধীন সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ করিমপুর এলাকার মুহুরী বাড়ির পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন একটি নিচু জমি থেকে সমীরের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে দাগনভুঞা থানা পুলিশ।

নিহত সমীর দাস মাতুভুঞা ইউপির রামানন্দপুর গ্রামের জেলে বাড়ির কার্তিক দাস ও রিনা রানী দাসের পুত্র। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow