সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয়
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক ইয়ামাদা তেতসুয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন সফরত বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ শুক্রবার (৮ মে) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জনগণের কল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উভয় পক্ষই। জামায়াতের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য। বৈঠকে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি এবং বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাইকার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জাইকার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগিতা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়েও অবহিত করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে জাইকার অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ
জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক ইয়ামাদা তেতসুয়ার সঙ্গে বৈঠক করেছেন সফরত বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
আজ শুক্রবার (৮ মে) বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জনগণের কল্যাণ, টেকসই উন্নয়ন, দক্ষ মানবসম্পদ গঠন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন উভয় পক্ষই। জামায়াতের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় এ তথ্য।
বৈঠকে জামায়াতের আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন- জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, এমপি এবং বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান এমপি।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম, অবকাঠামো উন্নয়ন, মানবসম্পদ বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও টেকসই অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে জাইকার ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। জাইকার প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে তাদের বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগিতা কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিষয়েও অবহিত করেন। বাংলাদেশ বর্তমানে জাইকার অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান অধিকার করে আছে বলেও উল্লেখ করেন।
এ সময় জামায়াতের আমির আশা প্রকাশ করেন যে, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ জাইকার উন্নয়ন সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশে পরিণত হবে। বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় পক্ষ।
What's Your Reaction?