সরকারি মালামাল চুরি, কালবেলায় সংবাদ প্রকাশের পর থানায় মামলা
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সরকারি গুদাম থেকে বিপুল মালামাল চুরির ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৪ ও ৬ জুন কালবেলা অনলাইনে ‘সরকারি মালামাল বিক্রি করে ‘চুরির নাটক’ কর্মকর্তার!’ এবং ‘জিম্মায় নেওয়া চুরির মালামাল থানায় ফেরত দিলেন কর্মকর্তা’ শিরোনামে দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রৌমারী থানায় এই চুরির মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- রৌমারী বাজার গ্রামের শফিক (২৪), একই গ্রামের ছোট প্রদীপ (৪৩), নটানপাড়া গ্রামের মামুন (২৫), সজিব মিয়া (২৬), ডাগুয়াপাড়া গ্রামের শহিদুর রহমান (৩২), মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের মঞ্জুর আলম (৩৫), খনজনমারা গ্রামের আব্দুস সালাম (৬৮) এবং একই গ্রামের আব্দুল মালেক (৭০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রৌমারী জনস্বাস্থ্য প্রক
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সরকারি গুদাম থেকে বিপুল মালামাল চুরির ঘটনায় অবশেষে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় ৮ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২ থেকে ৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এর আগে, গত ৪ ও ৬ জুন কালবেলা অনলাইনে ‘সরকারি মালামাল বিক্রি করে ‘চুরির নাটক’ কর্মকর্তার!’ এবং ‘জিম্মায় নেওয়া চুরির মালামাল থানায় ফেরত দিলেন কর্মকর্তা’ শিরোনামে দুটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসনের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম বাদী হয়ে রৌমারী থানায় এই চুরির মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন- রৌমারী বাজার গ্রামের শফিক (২৪), একই গ্রামের ছোট প্রদীপ (৪৩), নটানপাড়া গ্রামের মামুন (২৫), সজিব মিয়া (২৬), ডাগুয়াপাড়া গ্রামের শহিদুর রহমান (৩২), মধ্য ইছাকুড়ি গ্রামের মঞ্জুর আলম (৩৫), খনজনমারা গ্রামের আব্দুস সালাম (৬৮) এবং একই গ্রামের আব্দুল মালেক (৭০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রৌমারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের গুদামটি পরিষ্কার করে তালাবদ্ধ করেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পরবর্তীতে ১ মে সকাল ১০টার দিকে গুদামের পেছনের আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে স্টাফরা দেখতে পান যে, পেছনের জানালার গ্রিল কাটা ও খোলা অবস্থায় রয়েছে।
তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরে গুদামের রেজিস্টার মিলিয়ে দেখা যায়, সেখান থেকে ২৯০টি বন্যার জেরিকেন (১০ লিটার), ঢাকনাসহ ১০৯টি প্লাস্টিকের বালতি ও টুল, ৪টি পুরোনো নষ্ট সিলিং ফ্যান, ২ কার্টন (৪৮ প্যাকেট) মেয়াদোত্তীর্ণ স্যানিটারি প্যাড এবং ৪ কার্টন (৯৬ পিস) মেয়াদোত্তীর্ণ হ্যান্ড স্যানিটাইজার চুরি হয়ে গেছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চুরির ঘটনার পর ৩ মে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এবং প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীরা রৌমারী বাজারের বিভিন্ন দোকানে অভিযান চালান। অভিযানে কয়েকটি দোকান থেকে চুরি হওয়া সরকারি মালামাল উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) রাসেল কবীর কালবেলাকে বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি চুরির মামলা দায়ের করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা চলছে।