সহজ জয়ে সিরিজে সমতা ফেরালো বাংলাদেশ
প্রথম ওয়ানডেতে অতি রক্ষণাত্মক ব্যাটিং আর শেষের দিকের ধস বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ নষ্ট করে। এবার আর তেমন ভুল করেনি টাইগাররা। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে সহজেই হারিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। মিরপুরে বাংলাদেশ আজ (সোমবার) জিতেছে ৬ উইকেট আর ৮৭ বল হাতে রেখে। এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা। ১৯৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইফ হাসান ফেরেন শুরুতেই। ৮ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হয়ে যান এই ওপেনার। ওয়ান ডাউনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সৌম্য সরকারও। মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর টিম কম্বিনেশনের কারণে বাদ পড়েন সৌম্য। যেটি নিয়ে অনেক আলোচনাও হয়েছে। অবশেষে প্রায় ছয় মাস পর একাদশে ফিরেছেন সৌম্য। ফেরাটা হয়নি মনের মতো। ৮ রান করে দ্বিতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত আর তানজিদ হাসান তামিম মিলে গড়েন ১১০ বলে গড়েন ১২০ রানের মারকুটে জুটি। সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল তামিমের। খেলছিলেনও বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। যে বলে আউট হয়েছেন তার আগের বলেই হাঁকান ছক্কা। কিন্তু অতিআত্মবিশ্বাসী হতে গিয়ে পরের বলেই
প্রথম ওয়ানডেতে অতি রক্ষণাত্মক ব্যাটিং আর শেষের দিকের ধস বাংলাদেশের জয়ের সুযোগ নষ্ট করে। এবার আর তেমন ভুল করেনি টাইগাররা। সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডকে সহজেই হারিয়েছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
মিরপুরে বাংলাদেশ আজ (সোমবার) জিতেছে ৬ উইকেট আর ৮৭ বল হাতে রেখে। এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা।
১৯৯ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাইফ হাসান ফেরেন শুরুতেই। ৮ রান করে নাথান স্মিথের বলে বোল্ড হয়ে যান এই ওপেনার। ওয়ান ডাউনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি সৌম্য সরকারও।
মিরপুরে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সবশেষ ওয়ানডেতে ৯১ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এরপর টিম কম্বিনেশনের কারণে বাদ পড়েন সৌম্য। যেটি নিয়ে অনেক আলোচনাও হয়েছে।
অবশেষে প্রায় ছয় মাস পর একাদশে ফিরেছেন সৌম্য। ফেরাটা হয়নি মনের মতো। ৮ রান করে দ্বিতীয় স্লিপে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন এই বাঁহাতি।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত আর তানজিদ হাসান তামিম মিলে গড়েন ১১০ বলে গড়েন ১২০ রানের মারকুটে জুটি। সেঞ্চুরির সুযোগ ছিল তামিমের। খেলছিলেনও বেশ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে। যে বলে আউট হয়েছেন তার আগের বলেই হাঁকান ছক্কা। কিন্তু অতিআত্মবিশ্বাসী হতে গিয়ে পরের বলেই একইরকম ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তামিম।
৫৮ বলে ৭৬ রানের ঝোড়ো ইনিংসে ১০টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান তামিম। এরপর লিটন দাস (৭) বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকতে পারেননি। লেনক্সের ঘূর্ণিতে বল আকাশে তুলে দেন তিনি।
এরপর ফিফটি হাঁকান শান্ত। তবে পায়ে টান লাগায় হাফসেঞ্চুরি পূরণ করেই মাঠ ছেড়ে উঠে যান তিনি। ৭১ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৫০ রানে অপরাজিত থাকেন শান্ত।
বাকি পথটুকু অনায়াসে পাড়ি দিয়েছেন তাওহীদ হৃদয় আর মেহেদী হাসান মিরাজ। হৃদয় ৩০ আর মিরাজ ৮ রানে অপরাজিত থেকে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন।
এর আগে নাহিদ রানার গতির কাছে হার মেনেছে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা। তার ৫ শিকারে দুইশ রানের আগেই থেমে যায় সফরকারীদের ইনিংস। ৪৮.৪ ওভারে ১৯৮ রানে অলআউট হয় কিউইরা।
সোমবার (২০ এপ্রিল) মিরপুর শেরেবাংলায় টস জিতে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয় নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। কিন্তু নাহিদ রানার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি তার দল।
ম্যাচে সপ্তম ওভারে প্রথমবার বোলিংয়ে এসে প্রথম বলেই ফেরান ১৩ রান করা হেনরি নিকোলসকে। ২৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় কিউইরা। এরপর নিজের দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে আরও একটি উইকেট নিয়ে বিদায় করেন ২ রান করা উইল ইয়াংকে। ২৮ রানে পতন হওয়া সফরকারীদের।
প্রথম ওয়ানডের মতোই বাংলাদেশের বোলাররা নিয়ন্ত্রিত বোলিং করেছে। ফলে হাত খুলে খেলার সুযোগ পায়নি কিউই ব্যাটাররা।
৫৬ রানের জুটি গড়েন মোহাম্মদ আব্বাস ও নিক কেলি। সেই জুটিও ভাঙেন বাংলাদেশের দিনের সেরা বোলার নাহিদ রানা। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের ক্যাচ বানিয়ে ১৯ রান করা আব্বাসকে দেখিয়ে দেন সাজঘরের পথ। তার বিদায়ে চতুর্থ উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড।
অর্ধশত করে ব্ল্যাকক্যাপসদের হাল ধরে রাখা নিক কেলিকে বিদায় করেন শরিফুল ইসলাম। ১৪ চারে তার সাজানো ইনিংসটি থামে দলীয় ১৪৫ রানে। আক্ষেপে পোড়েন তিনি শতক মিসের। ৫ উইকেট হারানো কিউইদের ষষ্ঠ উইকেট তুলে নেন রিশাদ হোসেন। ৬ রান করা জশ ক্লার্কসনকে আউট করেন তিনি। ফলে ১৫২ রানে ৫ উইকেট হারায় সফরকারীরা।
প্রথম ম্যাচের নিউজিল্যান্ডের জয়ের নায়ক ডিন ফক্সক্রফটকে ১৫ রানে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট শিকার করেন নাহিদ। ১৬৪ রানে ৭ উইকেট হারায় ল্যাথামরা।
বড় শট খেলতে গিয়ে আফিফের হাতে ধরা পড়েন ১২ রান করা ব্লেয়ার টিকনার। ১৮২ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলার পর দুশ রানের আগে অলআউট হওয়া তখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায় মাত্র। বোর্ডে আরও ১ রান যোগ হতেই রানের খাতা না খোলা জেইডেন লেনক্সকে আউট করে নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফাইফার পূর্ণ করেন নাহিদ।
শেষ উইকেট হিসেবে উইল ও’রুর্ককে আউট করেন তাসকিন। দুর্দান্ত ক্যাচ নেন তাওহিদ হৃদয়। আর তাতেই ১৯৮ রান গুটিয়ে যায় কিউইরা।
বাংলাদেশের হয়ে ১০ ওভারে ৩২ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৫ উইকেট পেয়েছেন নাহিদ রানা। দুটি করে নিয়েছেন শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ। একটি করে উইকেট সৌম্য সরকার ও রিশাদ হোসেনের।
এমএমআর
What's Your Reaction?