সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে ফের রাস্তায় তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। শিক্ষার্থীরা ইন্দিরা রোডের মূল রাস্তা ও ইন্দিরা রোডের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ডাউন র‍্যাম্পের মুখ বন্ধ করে অবস্থান নিয়েছেন। এতে আশপাশের সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ইন্দিরা রোডের মুখে গাড়ি ডাইভারশন করে বিজয় সরণির দিকে পাঠাচ্ছে এবং এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ইন্দিরা রোডের র‍্যাম্প বন্ধ রাখতে বলেছে। ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কর্মসূচি শেষ করে দ্রুত সড়ক ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন। জানা গেছে, গত ৬ ডিসেম্বর দুপুরে তেজগাঁও কলেজের হোস্টেলের ছাদে কয়েকজন মাদক সেবন করছিলেন। সাকিবসহ তার বন্ধুরা বাধা দিলে হাতাহাতি হয়। পরে রাতে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা বৈঠক হয়। সেখানে ছাত্রদলের নেতাদের ধাওয়া দেন শিক্ষার্থীরা। ওই সময় রান্নাঘরের গলিতে সাকিব

সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে ফের রাস্তায় তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীরা

রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী সাকিবুল হাসান রানা হত্যার বিচার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন কলেজটির শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ কর্মসূচি শুরু করেন তারা। শিক্ষার্থীরা ইন্দিরা রোডের মূল রাস্তা ও ইন্দিরা রোডের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ডাউন র‍্যাম্পের মুখ বন্ধ করে অবস্থান নিয়েছেন।

এতে আশপাশের সড়কগুলোতে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ইন্দিরা রোডের মুখে গাড়ি ডাইভারশন করে বিজয় সরণির দিকে পাঠাচ্ছে এবং এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে ইন্দিরা রোডের র‍্যাম্প বন্ধ রাখতে বলেছে।

ট্রাফিক তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। এতে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা কর্মসূচি শেষ করে দ্রুত সড়ক ছেড়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

সহপাঠী হত্যার বিচার দাবিতে ফের রাস্তায় তেজগাঁও কলেজ শিক্ষার্থীরা

জানা গেছে, গত ৬ ডিসেম্বর দুপুরে তেজগাঁও কলেজের হোস্টেলের ছাদে কয়েকজন মাদক সেবন করছিলেন। সাকিবসহ তার বন্ধুরা বাধা দিলে হাতাহাতি হয়। পরে রাতে বিষয়টি নিয়ে মীমাংসা বৈঠক হয়। সেখানে ছাত্রদলের নেতাদের ধাওয়া দেন শিক্ষার্থীরা।

ওই সময় রান্নাঘরের গলিতে সাকিবকে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা হয়। তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে মালিবাগের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চার দিন পর ১০ ডিসেম্বর দুপুরে সাকিব মারা যান।

এএএইচ/এমআইএইচএস/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow