সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল, সহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা
সহকর্মী এক সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগে সামছুল ইসলাম সনেট ওরফে মোতালেব (৩৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. শেখ ফরিদ বাদী হয়ে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন। মামলাটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে বিচারক মাহফুজুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী মির আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০৬ (২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আরজিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনও জানানো হয়। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বাদী মো. শেখ ফরিদ ঢাকা কোর্ট এলাকায় ‘কোর্ট রিপোর্টার’ হিসেবে কর্মরত। অভিযুক্ত সামছুল ইসলাম সনেটও একই পেশায় যুক্ত থাকায় তাদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। অভিযোগ অনুসারে, প্রায় এক বছর আগে সনেট কৌশলে বাদীর মোবাইল ফোন থেকে তার ও তার স্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ছবি নিজের ফোনে স্থানান্তর করেন। পরে সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল ও মোটা অঙ্কের টাকা দ
সহকর্মী এক সাংবাদিকের ব্যক্তিগত ছবি ছড়িয়ে সামাজিক ও পেশাগতভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগে সামছুল ইসলাম সনেট ওরফে মোতালেব (৩৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. শেখ ফরিদ বাদী হয়ে ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ মামলা করেন।
মামলাটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হলে বিচারক মাহফুজুর রহমান অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সমন জারির আদেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী মির আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০৬ (২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। আরজিতে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদনও জানানো হয়।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, বাদী মো. শেখ ফরিদ ঢাকা কোর্ট এলাকায় ‘কোর্ট রিপোর্টার’ হিসেবে কর্মরত। অভিযুক্ত সামছুল ইসলাম সনেটও একই পেশায় যুক্ত থাকায় তাদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। অভিযোগ অনুসারে, প্রায় এক বছর আগে সনেট কৌশলে বাদীর মোবাইল ফোন থেকে তার ও তার স্ত্রীর কিছু ব্যক্তিগত ছবি নিজের ফোনে স্থানান্তর করেন।
পরে সেই ছবিগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে নিয়মিত ব্ল্যাকমেইল ও মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করা হচ্ছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি বাদী জানতে পারেন, অভিযুক্ত সনেট তার ফেসবুক আইডি থেকে ছবিগুলো বিভিন্ন ব্যক্তির মেসেঞ্জারে পাঠিয়েছেন এবং বাদীর বর্তমান কর্মস্থলেও অপপ্রচার চালিয়ে তাকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা করেছেন।
ভুক্তভোগী সাংবাদিক মো. শেখ ফরিদ বলেন, বন্ধুত্বের আড়ালে আমার ব্যক্তিগত ছবি চুরি করে আমাকে দীর্ঘ সময় হয়রানি করা হয়েছে। এতে আমি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হয়েছি এবং আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেও প্রতিকার না পাওয়ায় আমি আদালতের শরণাপন্ন হয়েছি।
তিনি আরও জানান, আদালত তাকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও পর্নোগ্রাফি আইনে পৃথক মামলা করার পরামর্শ দিয়েছেন, যা তিনি পরবর্তী ধাপে গ্রহণ করবেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সামছুল ইসলাম সনেট ওরফে মোতালেব তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে মামলার বিস্তারিত বিষয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে পারেননি।
What's Your Reaction?