সাজেকে আটকা ৫ শতাধিক পর্যটক
খাগড়াছড়ি-সাজেক যাতায়াতের মূল সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায় ৫ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে এ তথ্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএও) আমেনা মারজান।
ইউএও জানিয়েছেন, সাজেকে এখন পর্যন্ত ৫ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সাজেকের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায় তাদের ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। পানি নেমে গেলে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, অঞ্চলটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাঙামাটিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। জেলায় খোলা হয়েছে ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাজেকের সব পর্যটন স্পটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিতে বসবাস করা লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাঘাইছড়ির মাস্টার ঘোনা, রুপকারিসহ নিম্নাঞ্চল পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় রাঙামাটি সদরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় লোকসংখ
খাগড়াছড়ি-সাজেক যাতায়াতের মূল সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায় ৫ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে এ তথ্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএও) আমেনা মারজান।
ইউএও জানিয়েছেন, সাজেকে এখন পর্যন্ত ৫ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়ার খবর পাওয়া গেছে। সাজেকের বিভিন্ন স্থানে পানি ওঠায় তাদের ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না। পানি নেমে গেলে তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে, অঞ্চলটিতে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। রাঙামাটিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। জেলায় খোলা হয়েছে ২১২টি আশ্রয়কেন্দ্র। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সাজেকের সব পর্যটন স্পটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়।
বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঝুঁকিতে বসবাস করা লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। বাঘাইছড়ির মাস্টার ঘোনা, রুপকারিসহ নিম্নাঞ্চল পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হতে শুরু করেছে। এতে কয়েকশ পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
অপরদিকে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় রাঙামাটি সদরের আশ্রয়কেন্দ্রগুলোয় লোকসংখ্যা বাড়ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সদর, বাঘাইছড়ি, রাজস্থলী, কাপ্তাইসহ বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট ভাঙন দেখা দিয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।