সাতক্ষীরায় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় ছাত্রদলের হেল্প ডেস্ক
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনার্স ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করেছে সরকারি কলেজ ছাত্রদল। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে এ কার্যক্রম শুরু হয়। হেল্প ডেস্ক থেকে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র খুঁজে পেতে সহায়তা, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়। আয়োজকরা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী নতুন পরিবেশে পরীক্ষা দিতে এসে নানা সমস্যায় পড়েন। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তাদের সহায়তায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ছাত্রদলের নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। পরীক্ষার্থীরা জানান, হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়ক হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহ মো. আরাফাত রহমান রাব্বি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম খান সান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাহির কবির।
সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে অনার্স ভর্তি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে পরীক্ষার্থীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করেছে সরকারি কলেজ ছাত্রদল।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে কলেজের বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে এ কার্যক্রম শুরু হয়। হেল্প ডেস্ক থেকে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র খুঁজে পেতে সহায়তা, প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান এবং পানি সরবরাহসহ বিভিন্ন ধরনের সহযোগিতা দেওয়া হয়।
আয়োজকরা জানান, দূর-দূরান্ত থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী নতুন পরিবেশে পরীক্ষা দিতে এসে নানা সমস্যায় পড়েন। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তাদের সহায়তায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ছাত্রদলের নেতারা বলেন, শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানোই তাদের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
পরীক্ষার্থীরা জানান, হেল্প ডেস্কের মাধ্যমে তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য পেয়ে উপকৃত হয়েছেন, যা তাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছাতে সহায়ক হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি মাসুদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক মোল্ল্যা মুহাম্মদ শাহাজুদ্দীন, সিনিয়র সহসভাপতি শাহ মো. আরাফাত রহমান রাব্বি, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম খান সান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মাহির কবির।
What's Your Reaction?