সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হচ্ছে মনপুরা, বদলে যাচ্ছে দ্বীপের ভাগ্য
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক মানের দরপত্র আহ্বান করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপডিকো)। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন-এর উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। প্রকাশিত টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা প্রণয়ন, সরবরাহ, স্থাপন ও কমিশনিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ টার্নকি ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ল্যান্ডিং স্টেশন। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার প্রায় ৯০ হাজার মানুষ সরাসরি বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে। বর্তমানে ডিজেলনির্ভর সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার পরিবর্তে দ্বীপবাসী পাবে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্য
ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা নিশ্চিত করতে সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ‘মনপুরা দ্বীপে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় আন্তর্জাতিক মানের দরপত্র আহ্বান করেছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপডিকো)।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, স্থানীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন-এর উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।
প্রকাশিত টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ৩৩ কেভি সাবমেরিন ক্যাবলের নকশা প্রণয়ন, সরবরাহ, স্থাপন ও কমিশনিংসহ প্রয়োজনীয় কাজ টার্নকি ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ৭ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের ৪টি রানসহ মোট ২৮ কিলোমিটার সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন করা হবে। পাশাপাশি নির্মাণ করা হবে আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ল্যান্ডিং স্টেশন।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার প্রায় ৯০ হাজার মানুষ সরাসরি বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসবে। বর্তমানে ডিজেলনির্ভর সীমিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার পরিবর্তে দ্বীপবাসী পাবে নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সুবিধা।
সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, নির্বাচনের সময় দ্বীপবাসীর কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবেই সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
ওজোপডিকো সূত্রে জানা গেছে, আগ্রহী ও অভিজ্ঞ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানসমূহ আগামী ২৫ জুন ২০২৬ পর্যন্ত দরপত্র জমা দিতে পারবে।
স্থানীয়রা বলছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মনপুরার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। একই সঙ্গে দ্বীপটির সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি সঞ্চার হয়ে উন্নয়নের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।
What's Your Reaction?