সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ২৩ জুন

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রায় ১১ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ মামলায় আদালতে চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২০ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত দিনে চারজন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেন। তবে মামলার আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো জেরা হয়নি। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৩ জুন নতুন দিন নির্ধারণ করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৩ মে একই আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। দুদকের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দে

সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ২৩ জুন

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রায় ১১ কোটি টাকার বেশি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ২৩ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ মামলায় আদালতে চারজনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে মামলাটির সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নির্ধারিত তারিখে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত দিনে চারজন সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হয়ে জবানবন্দি দেন। তবে মামলার আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে কোনো জেরা হয়নি। শুনানি শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ২৩ জুন নতুন দিন নির্ধারণ করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী সোহানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত ৩ মে একই আদালত বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। এরপর ধারাবাহিকভাবে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

দুদকের দাখিল করা চার্জশিটে বলা হয়েছে, বেনজীর আহমেদ তার সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়।

তদন্ত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার বেশি। এর মধ্যে বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকা পাওয়া গেলেও ব্যয় বাদে নিট সঞ্চয় হিসাব অনুযায়ী ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা বৈধ বলে গণ্য হয়। ফলে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকা।

দুদকের অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এসব অবৈধ সম্পদের উৎস গোপন করে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এবং যৌথ মূলধনী কোম্পানিতে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অর্থপাচার করা হয়েছে।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

এমডিএএ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow