সাবেক এমপি দেওয়ান শামসুল আবেদীন আর নেই

সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ছোট ভাই সুনামগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক সাজাউর রাজা চৌধুরী। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার জানাজার নামাজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টায় লক্ষণশ্রী ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। দেওয়ান শামসুল ছিলেন মরমি কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রপৌত্র। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য। ছাত্রজীবনে তিনি সুনামগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং ১৯৭৯ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে দল থেকে বহিষ্কৃত হলে ২০০১ সালে তিনি আওয়ামী

সাবেক এমপি দেওয়ান শামসুল আবেদীন আর নেই

সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য দেওয়ান শামসুল আবেদীন আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে নিজ বাসভবনে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত ১১টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন তার ছোট ভাই সুনামগঞ্জ জেলা এনসিপির আহ্বায়ক সাজাউর রাজা চৌধুরী।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন। তার জানাজার নামাজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুর ২টায় লক্ষণশ্রী ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

দেওয়ান শামসুল ছিলেন মরমি কবি দেওয়ান হাসন রাজার প্রপৌত্র। তার রাজনৈতিক জীবন ছিল দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য। ছাত্রজীবনে তিনি সুনামগঞ্জ মহকুমা ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে তিনি বিএনপিতে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন এবং ১৯৭৯ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পান।

পরবর্তীতে দল থেকে বহিষ্কৃত হলে ২০০১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসন থেকে সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন।

ব্যক্তিজীবনে তিনি অত্যন্ত সদালাপী, নম্র ও অমায়িক ব্যবহারের অধিকারী ছিলেন। দলমত নির্বিশেষে সকলের কাছে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধার পাত্র।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow