সাবেক দুই এমপিসহ ছয়জনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়মনসিংহের সাবেক এমপি কাজিম উদ্দিন আহমেদ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক এমপি মো. আব্দুল ওয়াদুদসহ ছয়জনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আয়কর নথি জব্দ হওয়া বাকিরা হলেন- বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেম (হাসু) ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার এবং সাবেক এমপি মো. আব্দুল ওয়াদুদের স্ত্রী মোসা. মর্জিনা ওয়াদুদ। দুদকের পক্ষে পৃথক ৬টি আবেদনে তাদের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন উপ-সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু তালহা। দুদকের আবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা অসাধু উপায়ে নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের মালিকানা অর্জনপূর্বক দখলে রাখেন এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সর্বমোট মোটা অঙ্কের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। তারা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২, এ
দুর্নীতি দমন কমিশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়মনসিংহের সাবেক এমপি কাজিম উদ্দিন আহমেদ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাবেক এমপি মো. আব্দুল ওয়াদুদসহ ছয়জনের আয়কর নথি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আয়কর নথি জব্দ হওয়া বাকিরা হলেন- বাংলা টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সামাদুল হক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩০নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আবুল হাসেম (হাসু) ও তার স্ত্রী পারভীন আক্তার এবং সাবেক এমপি মো. আব্দুল ওয়াদুদের স্ত্রী মোসা. মর্জিনা ওয়াদুদ।
দুদকের পক্ষে পৃথক ৬টি আবেদনে তাদের আয়কর নথি জব্দ চেয়ে আবেদন করেন উপ-সহকারী পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আবু তালহা। দুদকের আবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়, আসামিরা অসাধু উপায়ে নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের মালিকানা অর্জনপূর্বক দখলে রাখেন এবং বিভিন্ন ব্যাংকে সর্বমোট মোটা অঙ্কের অস্বাভাবিক ও সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।
তারা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২, এবং দন্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় শান্তিযোগ্য অপরাধ করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে।
এসব আসামির জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তার আয়কর নথির বিভিন্ন অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।
What's Your Reaction?