সাবেক মন্ত্রী মোশাররফের ৮৭টি এফডিআর হিসাব অবরুদ্ধ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮৭ টি এফডিআরের ২৭ কোটি ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১ টাকা অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আজ দুদকের উপসহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহার আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, তদন্তে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩৫ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৭ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। একই সঙ্গে তার ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৯৯ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। আবেদনে বলা হয়, এবি ব্যাংক মতিঝিল শাখায় তার নামে থাকা ৮৭টি এফডিআরে বর্তমানে প্রায় ২৭ কোটি ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া এবি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় ১২টি ওয়েজ আর্নারস বন্ডে রয়েছে এক কোটি ২৪ লাখ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ৮৭ টি এফডিআরের ২৭ কোটি ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১ টাকা অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. আলমগীর এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আজ দুদকের উপসহকারী পরিচালক সাবিকুন নাহার আদালতে দাখিল করা আবেদনে উল্লেখ করেন, তদন্তে খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৩৫ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৭৭ টাকার সম্পদ অর্জনের প্রমাণ মিলেছে। একই সঙ্গে তার ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ৯৯ কোটি ২১ লাখ ১৮ হাজার ৮৪২ টাকা এবং ১১ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৬ মার্কিন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।
আবেদনে বলা হয়, এবি ব্যাংক মতিঝিল শাখায় তার নামে থাকা ৮৭টি এফডিআরে বর্তমানে প্রায় ২৭ কোটি ৭ লাখ ৯৬ হাজার ১২১ টাকা জমা রয়েছে। এছাড়া এবি ব্যাংকের প্রিন্সিপাল শাখায় ১২টি ওয়েজ আর্নারস বন্ডে রয়েছে এক কোটি ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। জনতা ব্যাংক, এবি ব্যাংক ও ন্যাশনাল ব্যাংকের একাধিক হিসাবেও বিপুল অর্থ জমা রয়েছে। এসব অর্থ পাচার বা অন্যত্র স্থানান্তরের আশঙ্কা থাকায় দ্রুত অবরুদ্ধ করা প্রয়োজন বলে দুদক উল্লেখ করে।
What's Your Reaction?