সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে এসডিএফের অভিযোগ

জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ দাখিল করেছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে আয়াস দাবি করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মুখোশধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিতে বাধ্য করা হয়। পরদিন তাকে কারওয়ান বাজার-বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রেখে যাওয়া হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আয়াস বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি বর্ষণ, অমানবিক নির্যাতন, খুন-গুমের হুকুমদাতা হিসেবে চুপ্পুর ভূমিকা তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারে

সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে এসডিএফের অভিযোগ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ আওয়ামী লীগের শাসনামলে গুম ও নির্যাতনের ঘটনায় সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভূমিকা তদন্তের দাবি জানিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে অভিযোগ দাখিল করেছে রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম (এসডিএফ)। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুরে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আল নূর মোহাম্মদ আয়াস চিফ প্রসিকিউটরের কাছে এ অভিযোগ জমা দেন। অভিযোগে আয়াস দাবি করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে শাহবাগে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার কারণে ২০২৫ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে মুখোশধারী কয়েকজন ব্যক্তি তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয় এবং আন্দোলন স্থগিতের আহ্বান জানিয়ে ভিডিও বার্তা দিতে বাধ্য করা হয়। পরদিন তাকে কারওয়ান বাজার-বাংলামোটর এলাকায় ফেলে রেখে যাওয়া হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। আয়াস বলেন, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতার ওপর গুলি বর্ষণ, অমানবিক নির্যাতন, খুন-গুমের হুকুমদাতা হিসেবে চুপ্পুর ভূমিকা তদন্ত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি জানাচ্ছি। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার সাংবিধানিক দায়িত্ব ও ভূমিকার প্রেক্ষাপটে যথাযথভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। এ ছাড়া ২০২৪ সালের নির্বাচন, মানবাধিকার লঙ্ঘন এবং গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় তার কোনো আইনগত দায় বা সংশ্লিষ্টতা ছিল কি না, তা নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।  

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow