সাবেক সিইসির গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা বেডরুমে টাঙিয়ে রাখুন

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ‘দলদাস’ অভিহিত করে তাদের ‘ব্যক্তিত্ব’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম। সংসদে সংরক্ষিত আসনে দলের দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়ন ইসির যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে কমিশনের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।  বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ওই স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, মনিরা শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত তাবাসসুম কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর ফরম জমা দিয়েছে বলে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি আসনের উপনির্বাচনে যখন দিনেদুপুরে ভোট চুরি হলো, ব্যালটে সিল মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল করা হলো তখন এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্য কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন। ইসির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন, এরা (বর্তমান কমিশন) যেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখে। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর পরিণতি এই দলদাসদের হবে। ওই স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, জনগণের চার হাজার কোটি টাক

সাবেক সিইসির গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা বেডরুমে টাঙিয়ে রাখুন

বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) ‘দলদাস’ অভিহিত করে তাদের ‘ব্যক্তিত্ব’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক সারজিস আলম।

সংসদে সংরক্ষিত আসনে দলের দুই নারী প্রার্থীর মনোনয়ন ইসির যাচাই-বাছাইয়ে বাতিল হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে কমিশনের ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। 

বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে ওই স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, মনিরা শারমিন একসময় সরকারি চাকরি করতো আর নুসরাত তাবাসসুম কোনো কারণে নির্ধারিত সময়ের ১৯ মিনিট পর ফরম জমা দিয়েছে বলে তাদের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন! অথচ সর্বশেষ দুটি আসনের উপনির্বাচনে যখন দিনেদুপুরে ভোট চুরি হলো, ব্যালটে সিল মারা হলো, ভোটকেন্দ্র দখল করা হলো তখন এই প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং তার অন্য কমিশনাররা মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন।

ইসির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি লেখেন, এরা (বর্তমান কমিশন) যেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনারের গলায় জুতার মালা পরা ছবিটা তাদের বেডরুমে টাঙিয়ে রাখে। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর পরিণতি এই দলদাসদের হবে।

ওই স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, জনগণের চার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করা ঋণখেলাপিদের তারেক রহমান মনোনয়ন দেন। সেই ব্যাংক লুটেরাদের এই নির্বাচন কমিশন নির্বাচন করতে দিয়েছে। তারা এখন ব্যাংক লুটেরাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদেও আছে।

সারজিস আরও লেখেন, তখন এই নির্বাচন কমিশন তাদের নিয়ম দেখাতে পারেনি। কারণ, তাদের সেই মেরুদন্ডটা নেই। ক্ষমতা আর দলের কাছে নিজেদের ব্যক্তিত্বকে বেঁচে দিয়ে তারা এখনো নির্বাচন কমিশনে পদ ধরে রেখেছে। প্রতিনিয়ত তাদের দলীয় প্রভুদের সন্তুষ্ট করে যাচ্ছে।

‘নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন থেকে হয় না, হয় গুলশান থেকে’—ওই পোস্টে এমন মন্তব্যও করেন তিনি।

এনএস/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow