সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়ালের জামিন কেন নয়, হাইকোর্টের রুল
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। দিনের ভোট রাতে করাসহ প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে এ মামলা করা হয়। রুলে হাবিবুল আউয়ালকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। জামিন চেয়ে হাবিবুল আউয়ালের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (২৮ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল জারি দেন। আরও পড়ুন স্বীকার করছি, আমি ডামি নির্বাচন করেছি: হাবিবুল আউয়াল আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক, এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ছফওয়ান। এর আগে এই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে জামিন চেয়ে গত মাসে হাইকোর্টে আবেদন করেন হাবিবুল আউয়াল। প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযো
রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানার মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালের জামিন প্রশ্নে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। দিনের ভোট রাতে করাসহ প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
রুলে হাবিবুল আউয়ালকে কেন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষকে দুই সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
জামিন চেয়ে হাবিবুল আউয়ালের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রোববার (২৮ জুন) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ রুল জারি দেন।
আদালতে আজ জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী শাহদীন মালিক, এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী মো. তায়্যিব-উল-ইসলাম সৌরভ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আল ফয়সাল সিদ্দিকী ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ ছফওয়ান।
এর আগে এই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে জামিন চেয়ে গত মাসে হাইকোর্টে আবেদন করেন হাবিবুল আউয়াল। প্রহসনের নির্বাচন করার অভিযোগে সাবেক ৩ সিইসিসহ ২৪ জনের নাম উল্লেখ করে ২০২৫ সালের ২২ জুন মামলাটি করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন খান।
মামলায় ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, ২০১৮ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কে এম নূরুল হুদা ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তৎকালীন সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়।
এ মামলায় হাবিবুল আউয়ালকে ২০২৫ সালের ২৫ জুন রাজধানীর মগবাজার থেকে গ্রেফতার করার কথা জানায় ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন আদালত। এই মামলায় রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধের ধারা যুক্ত করার বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ আবেদন করলে গত বছরের ২৫ জুন তা মঞ্জুর করেন ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত।
শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে আছেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি হাসান মাহমুদ খন্দকার, জাবেদ পাটোয়ারী, এ কে এম শহীদুল হক প্রমুখ।
এফএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

