সার্কের পুনরুজ্জীবনে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শামা ওবায়েদের

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সার্কের পুনরুজ্জীবনে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার সকালে সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শামা ওবায়েদ। বৈঠকে সার্ক–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সার্কের কার্যক্রম সক্রিয় করতে বাংলাদেশ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্মরণ করেন যে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা প্রথম বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই ১৯৮০–এর দশকের শুরুতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উত্থাপন করেছিলেন। এর লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, জীবনমান উন্নয়ন এবং সম্মিলিত আত্মনির্ভরতা জোরদার করা। সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিবর্তিত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সংগঠনটির প

সার্কের পুনরুজ্জীবনে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত শামা ওবায়েদের

দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সার্কের পুনরুজ্জীবনে বাংলাদেশের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। সোমবার সকালে সার্কের মহাসচিব মো. গোলাম সারওয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলে এ প্রত্যয় ব্যক্ত করেন শামা ওবায়েদ।

বৈঠকে সার্ক–সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার এবং সার্কের কার্যক্রম সক্রিয় করতে বাংলাদেশ সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাবে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্মরণ করেন যে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা প্রথম বাংলাদেশের পক্ষ থেকেই ১৯৮০–এর দশকের শুরুতে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান উত্থাপন করেছিলেন। এর লক্ষ্য ছিল জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা, জীবনমান উন্নয়ন এবং সম্মিলিত আত্মনির্ভরতা জোরদার করা।

সার্কের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিবর্তিত আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সংগঠনটির প্রাসঙ্গিকতা ধরে রাখতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবদানকে মূল্যায়ন করে।

তিনি আরও বলেন, সার্ক এখনো আঞ্চলিক অভিন্ন মূল্যবোধ জোরদার এবং বাণিজ্য, বিনিয়োগ, যোগাযোগ, দারিদ্র্য বিমোচন, জ্বালানি, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, শিক্ষা, জনস্বাস্থ্য, সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখে চলেছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সার্কের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো আরও শক্তিশালী করা এবং এর কার্যক্রম পুনরুজ্জীবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি সার্ক সনদে অন্তর্ভুক্ত নীতিমালা—সার্বভৌম সমতা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা, রাজনৈতিক স্বাধীনতা, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জনগণের পারস্পরিক কল্যাণ—অনুসরণের প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

জেপিআই/এমআইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow