সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দাবিতে অনশনে বৈবিছাআ নেতা

সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ। শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এ কর্মসূচি শুরু করেন। এসময় দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। দাবিগুলো হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো। এসময় প্রশাসন ভবন গেটে‌ ‘যোগ্যতার জয় হোক, পশু কোটা রোধ হোক,’ ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই’ ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চাই-বাতিল চাই’ লেখা যুক্ত পোস্টার দেখা যায়। অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়ায় পরবর্তীতে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এতে প্রায় ১৪০০ এর অধিক ভাই-বোন শহিদ হয়েছিল এবং ২২ হাজা

সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দাবিতে অনশনে বৈবিছাআ নেতা

সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি বন্ধসহ চার দফা দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার যুগ্ম সদস্য সচিব বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ।

শনিবার (২০ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনে তিনি এ কর্মসূচি শুরু করেন। এসময় দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরণ অনশন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

দাবিগুলো হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অশোভন ও অসৌজন্যমূলক আচরণ বন্ধ করা, সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি স্থায়ীভাবে বন্ধ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেওয়া সব ধরনের অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক ফি কমানো।

এসময় প্রশাসন ভবন গেটে‌ ‘যোগ্যতার জয় হোক, পশু কোটা রোধ হোক,’ ‘অযৌক্তিক ভর্তি ফি, বাতিল চাই বাতিল চাই’ ‘সার্টিফিকেট উত্তোলনে হয়রানি, বাতিল চাই-বাতিল চাই’ লেখা যুক্ত পোস্টার দেখা যায়।

অনশনরত বাঁধন বিশ্বাস স্পর্শ বলেন, জুলাই বিপ্লব সংঘটিত হয়েছিল কোটা বাতিলের দাবিতে। দাবি আদায় না হওয়ায় পরবর্তীতে এটি সরকারবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়। এতে প্রায় ১৪০০ এর অধিক ভাই-বোন শহিদ হয়েছিল এবং ২২ হাজারের বেশি ভাই-বোন আহত হয়েছিল। পরবর্তীতে আমরা দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করি। কিন্তু তার পরবর্তী নকিব নসরুল্লাহ প্রশাসন অনেক চেষ্টা করেছিল কিন্তু শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের সিন্ডিকেট তিনি ভাঙতে পারেননি। বর্তমান প্রশাসনের কাছে দাবি, এ পোষ্য কোটা অনতিবিলম্বে বাতিল করতে হবে এবং অযৌক্তিক ফি-গুলো কমাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়ে হয়রানি করা হয় শিক্ষার্থীদের। কোনো কাজে গেলেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা বাপ-মা তুলে গালিগালাজ করে, এটাও যেন না করা হয়। সার্টিফিকেট উত্তলনে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হতে হয়। সে হয়রানিগুলো বন্ধ করতে হবে। এ চার দফা দাবি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাব।

ইরফান উল্লাহ/কেএইচকে/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow