‘সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে’ সম্পর্ক এগিয়ে নিতে একমত পোষণ করি
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে কোনো বিশেষ বিষয়ে নয়, কেবল দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীতকরণে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশেষ বিষয়েও কথা না হলেও দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীতকরণে আলোচনা করেছেন।
আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ সামনে রেখে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিতেও তারা একমত হয়েছেন বলেও জানান। বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিনারের সঙ্গে বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি। এই বিষয়ে আমরা দুজন একমত পোষণ করি, যেন আগামীতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ সামনে রেখে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
‘কোনো বিশেষ বিষয়ে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। কেবল দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীতকরণে আলোচনা করেছি,’ বলেও যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্র
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে কোনো বিশেষ বিষয়ে নয়, কেবল দুই দেশের সম্পর্ক উন্নীতকরণে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিশেষ বিষয়েও কথা না হলেও দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীতকরণে আলোচনা করেছেন।
আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ সামনে রেখে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিতেও তারা একমত হয়েছেন বলেও জানান। বুধবার (২৯ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
হাইকমিনারের সঙ্গে বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেন, ‘এটা ছিল সৌজন্য সাক্ষাৎ। আমরা বিস্তারিত বিষয় নিয়ে আলাপ করিনি। এই বিষয়ে আমরা দুজন একমত পোষণ করি, যেন আগামীতে আমাদের দুই দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক স্বার্থ সামনে রেখে সার্বভৌম সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে নিয়ে যাব।’
‘কোনো বিশেষ বিষয়ে আমাদের দীর্ঘ আলোচনা হয়নি। কেবল দুই দেশের সম্পর্ক সাধারণভাবে উন্নীতকরণে আলোচনা করেছি,’ বলেও যোগ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে আমন্ত্রণের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বিষয়টি রিভিউ করছি। এ বিষয়ে একটা সিদ্ধান্ত নেব, সেটা দ্রুত জানাব।’
দুই দেশের মধ্যে কোনো উদ্বেগের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আজকে আমরা বিশেষ বিষয়ে কথা বলিনি। কিছু কিছু ইরিটেশন (অস্বস্তি) আছে; উনি জানেন, আমিও জানি। এগুলো নিরসন খুবই প্রয়োজন।’
কূটনৈতিক রীতি অনুযায়ী আজকের বৈঠক সৌজন্য সাক্ষাৎ। বিশেষ ইস্যুতে ‘কথা বলার সময় পড়ে আছে’ বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
চীনের সঙ্গে করিডর নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কোনো দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অন্য দেশের প্রেক্ষিতে জিরো সাম গেম নয়। একজনের সম্পর্ক ক্ষতি করে আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি, আমরা কখনোই সেটা করব না। সব দেশের সঙ্গে আমাদের স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রেখে এগিয়ে নিতে সম্পর্ক বৃদ্ধির চেষ্টা করেছি। কারও সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়ন মানে এই নয় কারও সঙ্গে অবনতি হচ্ছে।’
খলিলুর রহমান আরও বলেন, ‘চীনের কাছ থেকে আমরা ভালো সাপোর্ট পেয়েছি। ভবিষ্যতে যদি ভারতে আমাদের প্রধানমন্ত্রী যান, আশা করব সেই সফরটিও ভালো হোক। বাংলাদেশের সঙ্গে বহু দেশের সম্পর্ক আছে; এটা স্ত্রী-সতীনের সম্পর্ক নয়। যেখানে আমাদের স্বার্থ সেখানে আমরা যাব।’
মার্কিন দূত সার্জিও গোরের সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তার সঙ্গে ইতোমধ্যে কথা হয়েছে। বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। সম্পর্কটা এগিয়ে নিতে...। আর উনি কেবল ভারতে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত না, উনি প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক প্রতিনিধি। এটি তার প্রথম সফর। সে হিসেবে এটি একটি এক্সপ্লোরেটরি (সম্ভাব্যতা যাচাইমূলক) সফর। তিনি বাংলাদেশ সম্পর্কে বুঝতে চাইবেন।’