সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, জনতা ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখা থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। রোববার (১০ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন ও মো. সাঈদ হোসেন। মামলায় খালাস পেয়েছেন সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের যোগসাজশে বিভিন্ন হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর করে তা উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। পরবর্তীতে বিশেষ পরিদর্শন টিমের তদন্তে মোট তিন কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে। এ ঘটনায় ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল ক

সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, জনতা ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার কারাদণ্ড

চট্টগ্রামে জনতা ব্যাংকের শেখ মুজিব রোড করপোরেট শাখা থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক পাঁচ কর্মকর্তাকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১০ মে) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সাবেক কর্মকর্তা মো. আবু তৈয়ব, বাবুল চন্দ্র মজুমদার, রনেন্দ্র বিকাশ সাহা, মোসলেম উদ্দিন ও মো. সাঈদ হোসেন। মামলায় খালাস পেয়েছেন সাবেক কর্মকর্তা নুরুল হুদা।

রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। অপর আসামি আবু বকর সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ১৯৯৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০০০ সালের মার্চ পর্যন্ত সময়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা ও গ্রাহকদের যোগসাজশে বিভিন্ন হিসাব থেকে অর্থ স্থানান্তর করে তা উত্তোলনের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়। পরবর্তীতে বিশেষ পরিদর্শন টিমের তদন্তে মোট তিন কোটি ৩৯ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের তথ্য উঠে আসে।

এ ঘটনায় ২০০০ সালের ৬ এপ্রিল জনতা ব্যাংকের তৎকালীন উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. আবুল কাসেম মিয়া ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১১ সালে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল এবং ২০১৩ সালের ৬ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষ জানায়, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও প্রমাণে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

এমআরএএইচ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow