সিংড়ায় হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

২৬ বছর পর নাটোরের সিংড়ায় কৃষক মেছের আলী হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিংড়ার হাতিয়ান্দহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহবুব মৃধা, কলিগ্রামের ইদ্রিস আলী, গুণাইখাড়ার আবু রায়হান মৃধা, শ্রী কার্তিক মণ্ডল, উলিপুরের মো. আবুল হোসেন এবং কলিগ্রামের মো. ইউনুস আলী। আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শাহেদ মাহমুদ টিটু বলেন, সিংড়ার কলিগ্রামের সলেমান মৃধার সঙ্গে একই গ্রামের মেছের আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ১৯৯৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মেছের আলীকে ডেকে নিয়ে যায় তার প্রতিবেশী মছিরন বিবি। এর কিছু সময় পরে মেছের আলীর চিৎকারে প্রতিবেশীসহ মেছের আলীর পরিবারের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে মেছের আলীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেছের আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্

সিংড়ায় হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন

২৬ বছর পর নাটোরের সিংড়ায় কৃষক মেছের আলী হত্যা মামলায় আওয়ামী লীগ নেতাসহ ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ ৩য় আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সিংড়ার হাতিয়ান্দহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাহবুব মৃধা, কলিগ্রামের ইদ্রিস আলী, গুণাইখাড়ার আবু রায়হান মৃধা, শ্রী কার্তিক মণ্ডল, উলিপুরের মো. আবুল হোসেন এবং কলিগ্রামের মো. ইউনুস আলী।

আদালতের অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট শাহেদ মাহমুদ টিটু বলেন, সিংড়ার কলিগ্রামের সলেমান মৃধার সঙ্গে একই গ্রামের মেছের আলীর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে ১৯৯৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মেছের আলীকে ডেকে নিয়ে যায় তার প্রতিবেশী মছিরন বিবি। এর কিছু সময় পরে মেছের আলীর চিৎকারে প্রতিবেশীসহ মেছের আলীর পরিবারের লোকজন এগিয়ে গিয়ে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে মেছের আলীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মেছের আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ ঘটনার পরদিন নিহত মেছের আলীর ছেলে বাদী হয়ে আটজনকে আসামি করে মামলা করে।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠায়। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবেদন দাখিল করেন। এরপর বিভিন্ন সময় অভিযুক্তরা আদালত থেকে জামিনে বের হন। জামিনে বের হওয়ার পর দুজন অভিযুক্ত মৃত্যুবরণ করে এবং দুজন আত্মগোপনে চলে যায়। বাকি চারজন অভিযুক্তের উপস্থিত মামলার শুনানি করেন আদালতের বিচারক। দীর্ঘ ২৬ বছর মামলার স্বাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক পলাতক দুজন ও উপস্থিত চারজনসহ ছয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেকের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।

রেজাউল করিম রেজা/আরএইচ/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow