সিউলে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, এনডিসি দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বিকেলে দূতাবাসের মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি উপস্থিত অতিথিদের মাঝে গভীর আবেগ, শ্রদ্ধা ও দেশাত্মবোধের সঞ্চার করে। আলোচ
দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দক্ষিণ কোরিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।
দিবসের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকালে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল, এনডিসি দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে নিয়ে দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। পরে বিকেলে দূতাবাসের মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়।
এ সময় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় নির্মিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্রটি উপস্থিত অতিথিদের মাঝে গভীর আবেগ, শ্রদ্ধা ও দেশাত্মবোধের সঞ্চার করে।
আলোচনা সভায় বক্তারা মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহিদদের এবং নির্যাতিত মা-বোনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। একইসঙ্গে তারা ঐতিহাসিক ২৬ মার্চের প্রেক্ষাপট ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার মূল লক্ষ্য ছিল একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।
বক্তারা স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এ সময় অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তৌফিক ইসলাম শাতিল। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা, নির্যাতিতা মা-বোন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মনিবেদিত সব শহীদ ও সংগ্রামীকে গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন।
তিনি তার বক্তব্যে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যুগান্তকারী পররাষ্ট্রনীতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’-এর ওপর আলোকপাত করেন এবং সে আলোকে বর্তমান সরকারের গৃহীত পররাষ্ট্রনীতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
তিনি আরও বলেন, একটি বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক আধুনিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
রাষ্ট্রদূত দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের জন্য গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন ইতিবাচক কর্মসূচি ও উদ্যোগের কথাও উল্লেখ করেন।
এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের উদ্দেশে বৈধভাবে দক্ষিণ কোরিয়ায় এসে কর্মসংস্থানে যুক্ত হওয়া এবং বৈধ চ্যানেলে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত শাতিল।
অনুষ্ঠানে মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সার্বিক কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
What's Your Reaction?