সিরাজগঞ্জে অপহরণ মামলায় চার সাক্ষীর ১০ বছর কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জে অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চার জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক সাক্ষীকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা। আদালতের অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী হাদীউজ্জামান শেখ হাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি মামলার বরাদ দিয়ে জানান, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডলের ছেলে হিমুর সঙ্গে পাশের কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের সংঘর্ষ হয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডল তার ভাই ইমাম মণ্ডল এবং আমির হোসেন মণ্ডলের দুই ছেলে বাবু মণ্ডল ও হিমু মণ্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। আইনজীবী আরও বলেন, এই চারজন কারাভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্ত হ

সিরাজগঞ্জে অপহরণ মামলায় চার সাক্ষীর ১০ বছর কারাদণ্ড

সিরাজগঞ্জে অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চার জনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেক সাক্ষীকে ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড ও অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-জেলার শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী, আকবর আলী, আছের উদ্দিন ও বছিরুন্নেছা।

আদালতের অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী হাদীউজ্জামান শেখ হাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি মামলার বরাদ দিয়ে জানান, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই শাহজাদপুর উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডলের ছেলে হিমুর সঙ্গে পাশের কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের সংঘর্ষ হয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হলে দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ছয়জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মণ্ডল তার ভাই ইমাম মণ্ডল এবং আমির হোসেন মণ্ডলের দুই ছেলে বাবু মণ্ডল ও হিমু মণ্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

আইনজীবী আরও বলেন, এই চারজন কারাভোগ শেষে কারাগার থেকে মুক্ত হয়ে লুকিয়ে রাখা (অপহৃত) আরমানকে খুঁজতে থাকেন। একপর্যায়ে ২০০৯ সালে গোপন সূত্রে জানতে পারেন আরমান পাবনা জেলার চাটমোহরে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসেছেন। পরে বিষয়টি পাবনা র্যাব অফিসে জানালে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আরমানকে আটক করেন। পরে মিথ্যা অপহরণ মামলা দায়ের করায় কারাভোগকারী বাবু মণ্ডল বাদীূ হয়ে অপহরণ মামলার বাদী ও সাক্ষীসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। এ মামলার বাদি ও ভিকটিম মারা যাওয়ায় পর মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় মঙ্গলবার চার সাক্ষীকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

এম এ মালেক/এনএইচআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow