সিলযুক্ত ব্যালট উদ্ধার, ইউএনও’র গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীক সিলযুক্ত দুটি এবং চারটি ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে উত্তেজিত জনতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পপি খাতুনের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের হাসার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে সিলমারা এসব ব্যালট উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, সকালে স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দুটি সিলসহ ছয়টি ব্যালট খুঁজে পায়। পরে ব্যালট ও সিলগুলো প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেয় তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুর রহমানসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করেন।  এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিশু দুজনকে শাস্তি প্রদানের ঘোষণা দেন। এতে জনতা উত্তেজিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চল

সিলযুক্ত ব্যালট উদ্ধার, ইউএনও’র গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্র থেকে ধানের শীষ প্রতীক সিলযুক্ত দুটি এবং চারটি ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’ ভোটের ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গেলে উত্তেজিত জনতা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পপি খাতুনের গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার মদনখালী ইউনিয়নের হাসার পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র থেকে সিলমারা এসব ব্যালট উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, সকালে স্কুলে গিয়ে শিক্ষার্থীরা দুটি সিলসহ ছয়টি ব্যালট খুঁজে পায়। পরে ব্যালট ও সিলগুলো প্রধান শিক্ষকের কাছে জমা দেয় তারা। বিষয়টি জানাজানি হলে মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হলে তিনি উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আজিজুর রহমানসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করেন। 

এদিকে এলাকাবাসী অভিযোগ করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিশু দুজনকে শাস্তি প্রদানের ঘোষণা দেন। এতে জনতা উত্তেজিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলে যায়। তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। শিক্ষক ও শিশু দুটিকে নেওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিহতের ঘোষণা দেন। 

একপর্যায়ে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিক্ষক ও শিশু দুটিকে না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে পুলিশি পাহারায় ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

পীরগঞ্জ থানার ওসি সোহেল রানা বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবগত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা পপি খাতুন বলেন, বিষয়গুলো পরে জানানো হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow