সিলেটে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে সমন্বিত প্রস্তুতি জোরদার : সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট নগরকে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর দুই তীরে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন, স্লুইস গেট স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে।  তিনি বলেন, নদীর দুই তীরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন স্থানে সিলেট নগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমরা পিছিয়ে পড়া সিলেটকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে চাই। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের প্রতি অত্যন্ত সদয়। তার উদ্যোগে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ, রেলওয়ের ডাবল লাইনসহ একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, যা সিলেটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সিলেট সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি

সিলেটে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন প্রকল্প ঘিরে সমন্বিত প্রস্তুতি জোরদার : সিসিক প্রশাসক

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, সিলেট নগরকে গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একটি বৃহৎ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সুরমা নদীর দুই তীরে বন্যা প্রতিরোধ ব্যবস্থা, ওয়াকওয়ে নির্মাণ, সৌন্দর্যবর্ধন, স্লুইস গেট স্থাপনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। 

তিনি বলেন, নদীর দুই তীরে প্রায় ১৫ কিলোমিটার এলাকা সংরক্ষণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে ক্বিনব্রিজ সংলগ্ন স্থানে সিলেট নগরীর বন্যা নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামো নির্মাণ ও সৌন্দর্য বর্ধন প্রকল্পস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, আমরা পিছিয়ে পড়া সিলেটকে উন্নয়নের মূলধারায় আনতে চাই। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের প্রতি অত্যন্ত সদয়। তার উদ্যোগে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ৬ লেনে উন্নীতকরণ, রেলওয়ের ডাবল লাইনসহ একাধিক বৃহৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে, যা সিলেটের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন সিলেট সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সিলেট সফর আমাদের জন্য অত্যন্ত কাঙ্ক্ষিত। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এটি তার প্রথম সিলেট সফর। আমরা তার আগমনকে স্বাগত জানাই এবং সফর সফল করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা। এছাড়া সফরকালে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ের ‘নতুনকুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬’ উদ্বোধন, খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগদান করবেন।

সিসিক প্রশাসক বলেন, মৃতপ্রায় সুরমা নদীকে পুনরুজ্জীবিত করতে খননসহ প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বরাক নদ থেকে উৎপত্তিস্থল জকিগঞ্জের আমলসীদ থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জ-হবিগঞ্জের মারকুলি পর্যন্ত নদী খননের প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এর ফলে সুরমা ও কুশিয়ারার নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং জলাবদ্ধতা নিরসনেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

পরিদর্শনকালে সিসিক প্রশাসক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন এবং সফর সফল করতে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন— সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা বিশ্বজিত দেব, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (পূর্ত) রজি উদ্দিন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস, সহকারী প্রকৌশলী অংশুমান ভট্টাচার্য্য ও লিপু সিংহ, জনসংযোগ কর্মকর্তা নেহার রঞ্জন পুরকায়স্থসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow