সিলেটে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেট মহানগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতরা হলেন ওই বাসার বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং তাদের গৃহকর্মী মালু বেগম (৭৬)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তে মহানগর পুলিশ, ডিবি এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন। আলামত সংগ্রহ, ক্রাইম সিন পরীক্ষা, সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগেই কেউ ওই বাসায় প্রবেশ করে থাকতে পারে। কারণ, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা সচল ছিল না। তবে পুরো এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ না করা পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়। উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত আশপাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো ছুরি বা অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। তদন্তের কাজ প্রাথমিক

সিলেটে স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

সিলেট মহানগরের রায়নগর মিতালী আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে ১১১ নম্বর বাসা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন ওই বাসার বাসিন্দা আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম এবং তাদের গৃহকর্মী মালু বেগম (৭৬)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তে মহানগর পুলিশ, ডিবি এবং সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট কাজ করছে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়েছেন। আলামত সংগ্রহ, ক্রাইম সিন পরীক্ষা, সুরতহালসহ প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার আগেই কেউ ওই বাসায় প্রবেশ করে থাকতে পারে। কারণ, ঘটনার সময় বিদ্যুৎ না থাকায় বাসার সিসিটিভি ক্যামেরা সচল ছিল না। তবে পুরো এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের তথ্য বিশ্লেষণ না করা পর্যন্ত এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয়।

উপ-পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত আশপাশ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কোনো ছুরি বা অস্ত্র উদ্ধার হয়নি। তদন্তের কাজ প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত আলামত, সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল ফোনের তথ্যসহ অন্যান্য বিষয় বিশ্লেষণ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow