সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আরও দুই শিশুর মৃত্যু
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ও রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু দুটির মৃত্যু হয়। এই নিয়ে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২৩৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মারা যাওয়া দুই শিশু হলো- ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ওসমানীনগর উপজেলার বাসিন্দা নাজমুল হকের ৬ মাস বয়সী কন্যাসন্তান আরিফা আক্তার এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া জকিগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর এলাকার মাসুম আহমেদের ৮ মাস বয়সী ছেলে আবদুল্লাহ আল-মাহিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৫ জনের ল্যাব-নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জে সর্ব
সিলেটে হাম ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় বিভাগজুড়ে হাম পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ আরও বাড়ছে।
শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যা ও রাতে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশু দুটির মৃত্যু হয়। এই নিয়ে বর্তমানে বিভাগের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ২৩৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিলেট বিভাগীয় পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মারা যাওয়া দুই শিশু হলো- ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া ওসমানীনগর উপজেলার বাসিন্দা নাজমুল হকের ৬ মাস বয়সী কন্যাসন্তান আরিফা আক্তার এবং শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়া জকিগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর এলাকার মাসুম আহমেদের ৮ মাস বয়সী ছেলে আবদুল্লাহ আল-মাহিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সিলেট বিভাগে মোট ১৬৫ জনের ল্যাব-নিশ্চিত হাম শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সুনামগঞ্জে সর্বোচ্চ ৮৬ জন, সিলেটে ৪২ জন, হবিগঞ্জে ২১ জন (যার মধ্যে ২ জন রুবেলা আক্রান্ত) এবং মৌলভীবাজারে ১৬ জন রোগী রয়েছেন।
গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এরমধ্যে শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ১৬ জন, এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২১ জন, মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ২ জন এবং জালালাবাদ রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২ জন ভর্তি হয়েছেন।
বর্তমানে চিকিৎসাধীন ২৩৭ জন রোগীর মধ্যে সর্বোচ্চ ১১৫ জন ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩৯ জন শহীদ শামসুদ্দিন আহমদ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এছাড়া সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ২২ জন, হবিগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ১৮ জন এবং মৌলভীবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ১১ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। বাকিরা অন্যান্য ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত উপসর্গভিত্তিক সন্দেহজনক হামে ৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে ল্যাব-পরীক্ষায় নিশ্চিত হওয়া হাম রোগে মারা গেছেন ৪ জন। সব মিলিয়ে সিলেট বিভাগে এখন পর্যন্ত হাম ও সন্দেহজনক হামে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ জনে।
সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. মাহবুবুল আলম কালবেলাকে বলেন, সন্দেহজনক হামের উপসর্গ ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে ৪১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগ কাজ করছে এবং শিশুদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।