সিলেটে ৬টি আসনে জামানত হারালেন ২০ প্রার্থী

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার ৬টি আসনে নিরঙ্কুশ প্রভাব দেখিয়েছে বিএনপি। অপর একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে খেলাফত মজলিস। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনই জামানত হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট প্রদত্ত ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট কাস্ট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই সিলেটের ছয় আসনে ২০ জন প্রার্থী এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন। জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্তি দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. শামীম মিয়া। সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন মোট ৫ প্রার্থী। আর বৈধ ভোট ছ

সিলেটে ৬টি আসনে জামানত হারালেন ২০ প্রার্থী

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট জেলার ৬টি আসনে নিরঙ্কুশ প্রভাব দেখিয়েছে বিএনপি। অপর একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে খেলাফত মজলিস। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ৩৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনই জামানত হারিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে সিলেটের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম বেসরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট প্রদত্ত ভোটের ১২ দশমিক ৫ শতাংশের কম পাওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী মোট কাস্ট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই হিসাবেই সিলেটের ছয় আসনে ২০ জন প্রার্থী এই শর্ত পূরণে ব্যর্থ হয়েছেন।

জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মাহমুদুল হাসান, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের প্রণব জ্যোতি পাল, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির এডভোকেট আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-মার্কসবাদীর সঞ্জয় কান্তি দাস, গণঅধিকার পরিষদের আকমল হোসেন ও ইনসানিয়াত বিপ্লবের মো. শামীম মিয়া।

সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-ওসমানীনগর) প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন মোট ৫ প্রার্থী। আর বৈধ ভোট ছিল ১ লাখ ৬০ হাজার ৫৬। সাড়ে ১২ শতাংশ তথা ২০ হাজার ৭ ভোটের চেয়ে কম পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন জাতীয় পার্টির মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমির উদ্দীন ও গণফোরামের মো. মুজিবুল হক।

সিলেট-৩ (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) আসনে মোট প্রতিদ্ব›দ্বীতা করেছেন ৬ প্রার্থী। এ আসনে জামানত হারিয়েছেন ৪জন। বৈধ ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬৪১ ভোটের সাড়ে ১২ শতাংশ তথা ২৪ হাজার ৯৫৫ ভোটের চেয়ে কম পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে জাতীয় পার্টির আতিকুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রেদওয়ানুল হক চৌধুরী, স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার মুস্তাকিম রাজা চৌধুরী ও মইনুল বাকরের।

সিলেট-৪ (জৈন্তাপুর-গোয়াইনঘাট-কোম্পানীগঞ্জ) আসনে মোট প্রার্থী ছিলেন ৫জন। আর বৈধ ভোট ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪৮৮। আসনটিতে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সাঈদ আহমদ, গণঅধিকার পরিষদের জহিরুল ইসলাম ও জাতীয় পার্টির মুজিবুর রহমান ডালিম।

সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসনে মোট প্রতিদ্বদ্বীতা করেছেন ৫ প্রার্থী। তাদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন একজন। আর তিনি হলেন বাংলাদেশ মুসলিমলীগের মো. বিলাল উদ্দিন (হারিকেন)।

সিলেট-৬ আসনে প্রতিদ্বদ্বী প্রার্থীর সংখ্যা আর বৈধ ভোট ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৮৮। সাড়ে ১২ শতাংশের কম ভোট পাওয়াায় জামানত হারিয়েছেন জমিয়তের বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) মাওলানা ফখরুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের জাহিদুর রহমান ও জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ আব্দুন নূর।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow