সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার

মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানার প্রতিবাদ এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ ও পাম্পে চাহিদামতো জ্বালানি তেল না দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধের পর প্রত্যাহার করেছেন ট্রাকচালকরা। এছাড়া মাঝ সড়কে ট্রাক-লরি ফেলে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাতে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অবরোধ শুরু হয়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। চালকদের অভিযোগ, সড়কে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও বিজিবির নামে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পেট্রোল পাম্পগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি তেল না পাওয়ায় পরিবহন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তারা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন। একাধিক চালক জানান, রাস্তায় বের হলেই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দিতে হয়। আবার পাম্পে গিয়েও তেল পাওয়া যায় না। এই অবস্থায় গাড়ি চালানো সম্ভব না। অবরোধের কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে সড়কে। দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান কালবেলাকে বলেন, আমরা অনেকের সঙ্গে কলা বলেছি তারা কেউ আমাদের বল

সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ প্রত্যাহার
মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানার প্রতিবাদ এবং চাঁদাবাজির অভিযোগ ও পাম্পে চাহিদামতো জ্বালানি তেল না দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধের পর প্রত্যাহার করেছেন ট্রাকচালকরা। এছাড়া মাঝ সড়কে ট্রাক-লরি ফেলে এই অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। বুধবার (০১ এপ্রিল) রাতে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এ অবরোধ শুরু হয়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন চালকরা। চালকদের অভিযোগ, সড়কে বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও বিজিবির নামে চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। পাশাপাশি পেট্রোল পাম্পগুলোতে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি তেল না পাওয়ায় পরিবহন চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে তারা চরম ক্ষতির মুখে পড়ছেন। একাধিক চালক জানান, রাস্তায় বের হলেই বিভিন্ন অজুহাতে টাকা দিতে হয়। আবার পাম্পে গিয়েও তেল পাওয়া যায় না। এই অবস্থায় গাড়ি চালানো সম্ভব না। অবরোধের কারণে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে যান চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়ে। দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ সব ধরনের যানবাহন আটকা পড়ে সড়কে। দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান কালবেলাকে বলেন, আমরা অনেকের সঙ্গে কলা বলেছি তারা কেউ আমাদের বলেনি চাঁদাবাজির কথা।  তারা বলেছে বিভিন্ন জায়গায় জরিমানা করা হচ্ছে, কোথাও ৫ লিটার ১০ লিটার যদি কম পায় সেখানেও জরিমানা করছে। এত কম সংখ্যক তেল বিভিন্ন কারণে নাও থাকতে পারে। এটার জন্য জরিমানা কেন করে এটি হল তাদের মূল দাবি। এটি মালিক শ্রমিকদের দাবি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow