সিলেট থেকে প্রায় এক লাখ ঘনফুট পাথর জব্দ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমাছড়া পর্যটনকেন্দ্রে লিজ বহির্ভূত পাথর কোয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক লাখ ঘনফুট অবৈধভাবে মজুত পাথর জব্দ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে উৎমা ছড়া পাথর কোয়ারী এলাকার বনপুর, আদর্শ গ্রাম ও মাঝেরগাঁও বিজয়পাড়ুয়া এলাকা থেকে মোট ৯৪ হাজার ৩৯০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়। এর মধ্যে বনপুর এলাকা থেকে ৯৩ হাজার ৭৯০ ঘনফুট এবং মাঝেরগাঁও বিজয়পাড়ুয়া এলাকা থেকে ৬০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জব্দ করা পাথর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীকালে এসব পাথর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অভিযান পরিচালনায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন। এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান বলেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খনিজ সম্পদ বিভাগ এ বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচাল
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উৎমাছড়া পর্যটনকেন্দ্রে লিজ বহির্ভূত পাথর কোয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় এক লাখ ঘনফুট অবৈধভাবে মজুত পাথর জব্দ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পরিচালিত অভিযানে উৎমা ছড়া পাথর কোয়ারী এলাকার বনপুর, আদর্শ গ্রাম ও মাঝেরগাঁও বিজয়পাড়ুয়া এলাকা থেকে মোট ৯৪ হাজার ৩৯০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়।
এর মধ্যে বনপুর এলাকা থেকে ৯৩ হাজার ৭৯০ ঘনফুট এবং মাঝেরগাঁও বিজয়পাড়ুয়া এলাকা থেকে ৬০০ ঘনফুট পাথর জব্দ করা হয়েছে।
বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জব্দ করা পাথর স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীকালে এসব পাথর নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে। অভিযান পরিচালনায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
এ বিষয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈকত রায়হান বলেন, নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে খনিজ সম্পদ বিভাগ এ বিশেষ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে। পাথর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের আওতাভুক্ত হওয়ায় কোয়ারি থেকে অনুমতি ছাড়া কেউ যাতে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করাই এ অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আরও বলেন, অভিযানে ঘটনাস্থল থেকে অবৈধভাবে উত্তোলিত পাথর জব্দ করা হলেও সংশ্লিষ্ট কাউকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়নি। জব্দ করা পাথরগুলো আপাতত স্থানীয় ইউপি সদস্যদের জিম্মায় রাখা হয়েছে। পরবর্তীকালে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, সাদা পাথর, উৎমা ও শারপিনসহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। অবৈধ কর্মকাণ্ড দমনে খনিজ সম্পদ বিভাগের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
What's Your Reaction?