সিলেট নগরজুড়ে এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে : সিসিক প্রশাসক
সিলেট নগর আলোকিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বসবে আধুনিক এলইডি লাইট বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, নগরীকে আলোকিত ও নিরাপদ করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অত্যাধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে। নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সিলেটকে একটি ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। রোববার (২৪ মে) রাতে সিসিক প্রশাসক পৃথক দুটি স্থানে ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে আধুনিক আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সেই লক্ষ্যেই পর্যায়ক্রমে পুরো নগরে এই আধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে। তিনি এই আলোকসজ্জা কার্যক্রমের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন। সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস জানান, এই আধুনিক এলইডি লাইটগুলো স্থাপনের ফলে সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। এছাড়া ‘স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম’ চালুর
সিলেট নগর আলোকিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বসবে আধুনিক এলইডি লাইট বলে মন্তব্য করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
তিনি বলেন, নগরীকে আলোকিত ও নিরাপদ করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী অত্যাধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে। নগরবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সিলেটকে একটি ক্লিন ও স্মার্ট সিটি হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য।
রোববার (২৪ মে) রাতে সিসিক প্রশাসক পৃথক দুটি স্থানে ফলক উন্মোচন ও ফিতা কেটে আধুনিক আলোকসজ্জা প্রকল্পের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন।
প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যয় কমিয়ে সাশ্রয়ী ব্যবস্থাপনায় আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। সেই লক্ষ্যেই পর্যায়ক্রমে পুরো নগরে এই আধুনিক এলইডি লাইট স্থাপন করা হবে। তিনি এই আলোকসজ্জা কার্যক্রমের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নজরদারির নির্দেশ দেন।
সিসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাস জানান, এই আধুনিক এলইডি লাইটগুলো স্থাপনের ফলে সিটি কর্পোরেশনের বিদ্যুৎ বিল উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। এছাড়া ‘স্মার্ট কন্ট্রোল সিস্টেম’ চালুর মাধ্যমে সড়কবাতি ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়ন ও স্বয়ংক্রিয়করণ নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি কেবল বিদ্যুৎ সাশ্রয়ই করবে না, বরং রাতে সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস করতে এবং পর্যটন নগরী সিলেটের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী মো. আলী আকবর, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জয়দেব বিশ্বাসসহ সিসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ও সাধারণ নাগরিক উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে সিসিক প্রশাসক নগরীর ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের কল্লগ্রাম ভোলাইমিল থেকে কল্লগ্রাম কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পর্যন্ত সড়কবাতি এবং পরে ২৬, ২৭, ৪০ ও ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের রোড ডিভাইডারে আধুনিক সড়কবাতি প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্ট’-এর আওতায় প্রকল্প দুটি বাস্তবায়িত হয়েছে।
What's Your Reaction?