সিলেট সীমান্তে গুলিতে যুবক নিহতের দাবি, ৪ দিনেও মেলেনি মরদেহ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও মরদেহ এখনও ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে রয়েছে। এ ঘটনায় শনিবার (৪ এপ্রিল) কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিহতের স্ত্রী তসলিমা বেগম একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, বুধবার (১ এপ্রিল) সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার পর তার স্বামীর মরদেহ ভারতের ভেতরে পড়ে রয়েছে। সাদ্দাম হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওইদিন দুপুরে সাদ্দাম হোসেনসহ চারজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তারা সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান। এ সময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে সাদ্দাম হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে অন্যরা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)। কোম্পানীগঞ্জ
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন বলে দাবি পরিবারের। ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও মরদেহ এখনও ভারতের অভ্যন্তরে পড়ে রয়েছে।
এ ঘটনায় শনিবার (৪ এপ্রিল) কোম্পানীগঞ্জ থানায় নিহতের স্ত্রী তসলিমা বেগম একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
জিডিতে তিনি উল্লেখ করেন, বুধবার (১ এপ্রিল) সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার পর তার স্বামীর মরদেহ ভারতের ভেতরে পড়ে রয়েছে।
সাদ্দাম হোসেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার উত্তর রণিখাই ইউনিয়নের লামাগ্রামের বাসিন্দা কুটু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ওইদিন দুপুরে সাদ্দাম হোসেনসহ চারজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের অভ্যন্তরে প্রবেশ করেন। তারা সীমান্তের ১২৪৭ নম্বর পিলারের প্রায় ৬০০ গজ ভেতরে ভারতের রাজনটিলা এলাকায় সুপারি আনতে যান। এ সময় সুপারি বাগানের মালিক খাসিয়ারা তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
গুলিতে সাদ্দাম হোসেন ঘটনাস্থলে নিহত হন। এ সময় তার সঙ্গী ফরহাদ মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে অন্যরা তাকে উদ্ধার করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন। আহত ফরহাদ একই গ্রামের লিলু মিয়ার ছেলে। তাদের সঙ্গে আরও ছিলেন আবু বক্কর (৩০) ও জফির মিয়া (২৮)।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতের অভ্যন্তরে যাওয়ার পর খাসিয়াদের গুলিতে সাদ্দাম নিহত হন। তার মরদেহ ভারতে রয়েছে বলে দাবি করছে তার পরিবার। বিষয়টি নিয়ে বিজিবি কাজ করছে।
সিলেট বিজিবি-৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে ঘটনাটি জানার পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আহমেদ জামিল/আরএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?