সিল-স্বাক্ষর জাল করে ভবন নকশা, ভুয়া প্রকৌশলী গ্রেফতার

ফেনী পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ চার বছর ধরে আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনারদের সিল, স্বাক্ষর ও নাম জাল করে ভবন নির্মাণের নকশা তৈরির অভিযোগে কথিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে আবদুর রহিম নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। রহিম ইউনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনসালটেন্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রোপ্রাইটার। ফেনী মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে বিকেলে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ফেনী পৌরসভার সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কে জামান এন্ড রহিম প্লাজায় অবস্থিত ইউনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবদুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে ভবনের নকশা তৈরির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ১৫ মার্চ বারাহিপুর এলাকার হাছিনা আক্তার ও বিরিঞ্চি এলাকার মো. বাহার মিয়া নিজ নিজ ভূমিতে ভবন নির্মাণের জন্য দুটি নকশা ফেনী পৌরসভায় জমা দেন। নকশা দুটিতে স্থপতি হিসেবে মাহমুদ হাসান রিয়াজ ও ডিজাইনার হিসেবে মো. আহসান হাবিবের সিল ও স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিল। তবে নকশা পর্যালোচনার সময় সন্দেহ হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর

সিল-স্বাক্ষর জাল করে ভবন নকশা, ভুয়া প্রকৌশলী গ্রেফতার

ফেনী পৌরসভাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ চার বছর ধরে আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনারদের সিল, স্বাক্ষর ও নাম জাল করে ভবন নির্মাণের নকশা তৈরির অভিযোগে কথিত সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে আবদুর রহিম নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। রহিম ইউনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনসালটেন্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রোপ্রাইটার।

ফেনী মডেল থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে বিকেলে জেলহাজতে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় ফেনী পৌরসভার সার্ভেয়ার মোহাম্মদ আবুল কাশেম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কে জামান এন্ড রহিম প্লাজায় অবস্থিত ইউনিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনসালটেন্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবদুর রহিম দীর্ঘদিন ধরে ভবনের নকশা তৈরির ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। ১৫ মার্চ বারাহিপুর এলাকার হাছিনা আক্তার ও বিরিঞ্চি এলাকার মো. বাহার মিয়া নিজ নিজ ভূমিতে ভবন নির্মাণের জন্য দুটি নকশা ফেনী পৌরসভায় জমা দেন। নকশা দুটিতে স্থপতি হিসেবে মাহমুদ হাসান রিয়াজ ও ডিজাইনার হিসেবে মো. আহসান হাবিবের সিল ও স্বাক্ষর সংযুক্ত ছিল। তবে নকশা পর্যালোচনার সময় সন্দেহ হলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন সার্ভেয়ার আবুল কাশেম।

পরবর্তীতে পৌরসভার অনুমতিক্রমে সোমবার সন্ধ্যায় আবদুর রহিমকে তলব করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন, অন্য প্রতিষ্ঠানের সিল ব্যবহার করে তিনি নিজেই স্বাক্ষর করেছেন। আর্কিটেক্ট ও ডিজাইনারকে পারিশ্রমিক না দিয়ে পুরো অর্থ আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যেই তিনি এ কাজ করেছেন বলে জানান।

এর আগে স্থপতি মাহমুদ হাসান রিয়াজ তার স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এনে পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। তিনি দাবি করেন, গত চার বছর ধরে তিনি ফেনী পৌরসভায় কোনো নকশা অনুমোদনের জন্য স্বাক্ষর করেননি কিংবা কোনো নকশা জমা দেননি।

আবদুল্লাহ আল-মামুন/এফএ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow