সীতাকুণ্ডে যুবককে তুলে নিয়ে নির্যাতনের পর হত্যা, থানায় মামলা
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মো. নাঈম (৩০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহত নাঈম সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ভাটেরখীল গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. খোকনের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই রাতে উপজেলার ভাটেরখীল এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি নাঈমকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি সড়কের পাশে তাকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চলে যায় অভিযুক্তরা।
রাতে নাঈমের গোঙানির শব্দ শুনে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
নিহতের বাবা মো. খোকন অভিযোগ করেন, এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি ইরানের কিছু ইয়াবা হারিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই কর
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে মো. নাঈম (৩০) নামে এক যুবককে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিহত নাঈম সীতাকুণ্ড উপজেলার মুরাদপুর ইউনিয়নের ভাটেরখীল গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. খোকনের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ জুলাই রাতে উপজেলার ভাটেরখীল এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি নাঈমকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে গ্রামের একটি সড়কের পাশে তাকে মারধর ও নির্যাতন করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে চলে যায় অভিযুক্তরা।
রাতে নাঈমের গোঙানির শব্দ শুনে স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠান। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
নিহতের বাবা মো. খোকন অভিযোগ করেন, এলাকার চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি ইরানের কিছু ইয়াবা হারিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে তার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত তার ছেলে মারা যান।
তিনি আরও দাবি করেন, অভিযুক্ত ইরানের বিরুদ্ধে আগেও হত্যা মামলা রয়েছে। তারপরও আইনের কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তিনি বারবার অপরাধ করে যাচ্ছেন। তিনি ছেলে হত্যার বিচার ও জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইয়াবা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিনুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় শনিবার থানায় একটি হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।