সুইসদের হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা, কেমন খেললেন মেসি-আলভারেজরা

১২০ মিনিটের শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলারে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে গোল করেছেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ মার্তিনেজ। আর একটি গোল করিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা কে কেমন পারফর্ম করলেন? ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘গোল ডটকম’-এর ম্যাচ রেটিংয়ের ভিত্তিতে দেখে নেওয়া যাক আলবিসেলেস্তেদের পারফরম্যান্সের ব্যবচ্ছেদ- গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (৭/১০): সুইজারল্যান্ডের করা সমতাসূচক গোলটিতে তার তেমন কিছু করার ছিল না। তবে পুরো ম্যাচে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে আর্জেন্টিনাকে বিপদমুক্ত রাখেন এবং ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (৮/১০): রক্ষণ ও আক্রমণ, দুই বিভাগেই ছিলেন অনন্য। ৩টি সফল ড্রিবল, ফাইনাল থার্ডে ৯টি পাস এবং ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স করে ম্যাচজুড়ে নজর কেড়েছেন। ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (৭/১০): রক্ষণের এই মূল স্তম্ভ বরাবরের মতোই নির্ভরযোগ্য ছিলেন। ১০৬ মিনিটে বদলি হওয়ার আগে ৫টি বল পুনরুদ্ধার এবং ২টি ইন

সুইসদের হারিয়ে সেমিতে আর্জেন্টিনা, কেমন খেললেন মেসি-আলভারেজরা
১২০ মিনিটের শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলারে সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট কেটেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেদের হয়ে গোল করেছেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, জুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্টিনেজ মার্তিনেজ। আর একটি গোল করিয়েছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। কোয়ার্টার ফাইনালের এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে মাঠে নেমে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা কে কেমন পারফর্ম করলেন? ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘গোল ডটকম’-এর ম্যাচ রেটিংয়ের ভিত্তিতে দেখে নেওয়া যাক আলবিসেলেস্তেদের পারফরম্যান্সের ব্যবচ্ছেদ- গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ (৭/১০): সুইজারল্যান্ডের করা সমতাসূচক গোলটিতে তার তেমন কিছু করার ছিল না। তবে পুরো ম্যাচে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে আর্জেন্টিনাকে বিপদমুক্ত রাখেন এবং ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন। লিসান্দ্রো মার্তিনেজ (৮/১০): রক্ষণ ও আক্রমণ, দুই বিভাগেই ছিলেন অনন্য। ৩টি সফল ড্রিবল, ফাইনাল থার্ডে ৯টি পাস এবং ৩টি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স করে ম্যাচজুড়ে নজর কেড়েছেন। ক্রিস্টিয়ান রোমেরো (৭/১০): রক্ষণের এই মূল স্তম্ভ বরাবরের মতোই নির্ভরযোগ্য ছিলেন। ১০৬ মিনিটে বদলি হওয়ার আগে ৫টি বল পুনরুদ্ধার এবং ২টি ইন্টারসেপশন করেন। নিকোলাস তাগলিয়াফিকো (৬/১০): রক্ষণ সামলানোর চেয়ে আক্রমণে ওঠার দিকেই বেশি মনোযোগী ছিলেন। খুব বেশি প্রভাব ফেলতে না পারলেও কয়েকবার ফাউলের শিকার হয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেট-পিস আদায় করেন। নাহুয়েল মলিনা (৬/১০): মাঠের ডান প্রান্ত ধরে নিরলস পরিশ্রম করেছেন। ৮৫ মিনিট মাঠে থেকে ২টি রিকভারি এবং দুটি বল ক্লিয়ার করেন। মিডফিল্ড আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার (৮/১০): দীর্ঘকায় সুইস ডিফেন্ডারদের টপকে দুর্দান্ত হেডে দলকে প্রথম গোল এনে দেন। স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি আক্রমণাত্মক খেলে দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও পুরো ম্যাচে প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি ছিলেন। লিয়ান্দ্রো পারেদেস (৭/১০): মাঠের প্রতিটি অংশে তার উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। নিখুঁত পাসিংয়ে মাঝমাঠের ছন্দ ধরে রাখেন। ১১০ মিনিট মাঠে থেকে সর্বোচ্চ ১৩১ বার বল স্পর্শ করার পাশাপাশি ৪ বার বল রিকভারি করেন। এনজো ফার্নান্দেজ (৭/১০): পাসিং ছিল অত্যন্ত নিখুঁত। একটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি ২টি দূরপাল্লার থ্রু-পাসে প্রতিপক্ষের ডিফেন্সে ভয় ধরিয়েছেন। রদ্রিগো দি পল (৬/১০): দি পলের জন্য আজ দিনটি খুব একটা ভালো ছিল না। মাঝমাঠে তেমন প্রভাব ফেলতে পারেননি। ৮৫ মিনিট খেলে মাত্র ৪৮ বার বল স্পর্শ করেন এবং প্রতিপক্ষের গোলমুখে পাস দিতে পেরেছেন মাত্র দুটি। আক্রমণভাগ ও বদলি খেলোয়াড় লিওনেল মেসি (৮/১০): নিজে গোল না পেলেও তার বুদ্ধিদীপ্ত কর্নার থেকেই ম্যাচের প্রথম গোলটি আসে। পুরো ১২০ মিনিটে ম্যাচে সর্বোচ্চ ৬টি গোলের সুযোগ তৈরি করেছেন। প্রতিপক্ষের গোলমুখে ৪টি শট নেওয়ার পাশাপাশি ৩টি সফল ড্রিবল করেন। জুলিয়ান আলভারেজ (৮/১০): অবশেষে টুর্নামেন্টে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেলেন! ম্যাচের বেশির ভাগ সময় বোতলবন্দী থাকলেও অতিরিক্ত সময়ে ১১২ মিনিটে দুর্দান্ত এক রকেট শটে গোল করে ম্যাচের ভাগ্য বদলে দেন। এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপ গোল। লাউতারো মার্তিনেজ (৭.৫/১০): ম্যাচের শেষ দিকে বদলি হিসেবে মাত্র ৩৫ মিনিট মাঠে ছিলেন। তাতেই ইনজুরি টাইমে চমৎকার এক ফিল্ড গোল করে সুইসদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দেন। এছাড়া দলের জন্য আরও ২টি সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow