সুচিকিৎসা পেতে দেশে ফেরা, পরদিনই মৃত্যু প্রবাসী ইদ্রিছের

ওমানে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলেও যথাযথ চিকিৎসা পাননি চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ ইদ্রিছ। সেই সঙ্গে নিয়োগদাতা আটকে রেখেছিলেন বেতন। এমন অবস্থায় সুচিকিৎসা পেতে দেশে ফেরার পরদিনই মারা গেছেন তিনি। ইদ্রিছ ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশে ফেরেন। পরদিন বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল মাসকাট মাবেলায় কোম্পানির গ্যারেজে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন ইদ্রিছ। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় বাদর আল সামা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সুলতান কাবুস ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। যেখানে জরুরি অস্ত্রোপচারের পর কয়েকদিন তাকে আইসিইউতে রাখা হয়। তবে অভিযোগ রয়েছে, দুর্ঘটনার পর ইদ্রিছের নিয়োগদাতা কোনো ধরনের খোঁজখবর নেননি। এমনকি পূর্ণ চিকিৎসা শেষ না করেই তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পাশাপাশি চার মাসের বেতনও পাননি তিনি, যা তার আর্থিক সংকটকে তীব্র করে তোলে। পরবর্তীতে ই

সুচিকিৎসা পেতে দেশে ফেরা, পরদিনই মৃত্যু প্রবাসী ইদ্রিছের

ওমানে কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হলেও যথাযথ চিকিৎসা পাননি চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর বাসিন্দা মোহাম্মদ ইদ্রিছ। সেই সঙ্গে নিয়োগদাতা আটকে রেখেছিলেন বেতন। এমন অবস্থায় সুচিকিৎসা পেতে দেশে ফেরার পরদিনই মারা গেছেন তিনি।

ইদ্রিছ ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাসের সহযোগিতায় গত বুধবার (২৯ এপ্রিল) দেশে ফেরেন। পরদিন বিকেলে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সহকর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল মাসকাট মাবেলায় কোম্পানির গ্যারেজে কাজ করার সময় দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হন ইদ্রিছ। সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় বাদর আল সামা হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে সুলতান কাবুস ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। যেখানে জরুরি অস্ত্রোপচারের পর কয়েকদিন তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।

সুচিকিৎসা পেতে দেশে ফেরা, পরদিনই মৃত্যু প্রবাসী ইদ্রিছের

তবে অভিযোগ রয়েছে, দুর্ঘটনার পর ইদ্রিছের নিয়োগদাতা কোনো ধরনের খোঁজখবর নেননি। এমনকি পূর্ণ চিকিৎসা শেষ না করেই তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এতে করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। পাশাপাশি চার মাসের বেতনও পাননি তিনি, যা তার আর্থিক সংকটকে তীব্র করে তোলে।

পরবর্তীতে ইদ্রিছের বুকের এক্স-রে পরীক্ষায় হাড়ে ফাটল ধরা পড়ে। এতে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। দূতাবাসের সহযোগিতা চেয়ে আবেদনও করেন।
অবশেষে দেশে ফিরলেও ভাগ্য তার সহায় হয়নি।

ওমানের বাংলাদেশি কমিউনিটি নেতা সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রবাসে কর্মরত শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিতে আরও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। একই সঙ্গে দুর্ঘটনার পর শ্রমিকদের প্রতি স্পন্সরদের দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করার দাবিও জানাই।’

ইদ্রিসের ক্ষতিপূরণ আদায়ের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট নিয়োগদাতার বিরুদ্ধে মামলা করেছে ওমানের বাংলাদেশ দূতাবাস।

একিউএফ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow