সুঠাম দেহের ফাঁদে ফেলে শারীরিক সম্পর্ক, পরে ব্ল্যাকমেইল করতেন রিশাদ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সুঠাম দেহের ছবি পোস্ট করে ফাঁদে ফেলতেন নারীদের। পরে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে রাখা হতো। ওই ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো টাকা। এমনই অভিযোগে রিশাদ মাহামুদ (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ৯টায় দিনাজপুর শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতার রিশাদ মাহামুদ শহরের মিশন রোড এলাকার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি শহরের ঈদগাহ আবাসিক এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। মামলার বিবরণে জানা যায়, শহরের বালুবাড়ী এলাকার ৩৬ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে রিশাদ মাহামুদের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তী সময়ে ওই নারী জানতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চকচকে বডিবিল্ডারের ছবি পোস্ট করে ফাঁদে ফেলে রিশাদ একাধিক মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাদের অন্তরঙ্গ ভিডিও ও ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করেন। এ নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে রিশাদের সম্পর্কের অবনতি হয়। একপর্যায়ে রিশাদের ফাঁদে পড়েন ওই নারীও। তার আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণ করে তা ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেন টাকা ও স্বর্ণের অলঙ্কার। পরে মামলা করেন ভুক্তভোগী। যশোর কোতোয়া
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের সুঠাম দেহের ছবি পোস্ট করে ফাঁদে ফেলতেন নারীদের। পরে শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে রাখা হতো। ওই ভিডিও ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হতো টাকা। এমনই অভিযোগে রিশাদ মাহামুদ (৩৫) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকালে ৯টায় দিনাজপুর শহরের গোর-এ শহীদ ময়দান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতার রিশাদ মাহামুদ শহরের মিশন রোড এলাকার মৃত গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি শহরের ঈদগাহ আবাসিক এলাকায় একটি বাসায় ভাড়া থাকেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, শহরের বালুবাড়ী এলাকার ৩৬ বছর বয়সী এক নারীর সঙ্গে রিশাদ মাহামুদের সম্পর্ক ছিল। পরবর্তী সময়ে ওই নারী জানতে পারেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চকচকে বডিবিল্ডারের ছবি পোস্ট করে ফাঁদে ফেলে রিশাদ একাধিক মেয়ের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তাদের অন্তরঙ্গ ভিডিও ও ছবি ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করেন। এ নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে রিশাদের সম্পর্কের অবনতি হয়।
একপর্যায়ে রিশাদের ফাঁদে পড়েন ওই নারীও। তার আপত্তিকর ছবি-ভিডিও ধারণ করে তা ভাইরাল করার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেন টাকা ও স্বর্ণের অলঙ্কার। পরে মামলা করেন ভুক্তভোগী।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুন নবী বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এমদাদুল হক মিলন/এসআর/জেআইএম
What's Your Reaction?