সুনামগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে দুপক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, নিহত ১
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সুনামগঞ্জের শাল্লায় আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমান গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পায়েল মিয়া(২০) মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এতে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহত পায়েল মিয়া সাইদুর রহমান গ্রুপের। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে। বুধবার দুপুরে উপজেলা ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একেই ঘটনায় তাহেরা বেগম (৪৫) কে মুমূর্ষু অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামের আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত বছরেও এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এতে উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলাও চলমান রয়েছে। এরই জের ধরে ঘোষণা দিয়েই বুধবার দুপুরে আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমান পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। সংঘর্ষে সাইদুর রহমান গ্রুপের একজন নিহত হয়েছে। সাইদুর রহমান জানান, আওয়াল নুর গ্রুপের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় আমাদের দু
জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সুনামগঞ্জের শাল্লায় আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমান গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে পায়েল মিয়া(২০) মিয়া নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। এতে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। নিহত পায়েল মিয়া সাইদুর রহমান গ্রুপের। মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে একাধিক সুত্রে জানা গেছে।
বুধবার দুপুরে উপজেলা ৪ নং শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
একেই ঘটনায় তাহেরা বেগম (৪৫) কে মুমূর্ষু অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেলে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,শাল্লা ইউনিয়নের ইছাকপুর গ্রামের আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমানের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে দুপক্ষের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত বছরেও এই দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয় এতে উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি মামলাও চলমান রয়েছে। এরই জের ধরে ঘোষণা দিয়েই বুধবার দুপুরে আওয়াল নুর ও সাইদুর রহমান পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে। সংঘর্ষে সাইদুর রহমান গ্রুপের একজন নিহত হয়েছে।
সাইদুর রহমান জানান, আওয়াল নুর গ্রুপের লোকজন আমাদের বাড়িতে এসে হঠাৎ অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় আমাদের দুজন লোক নিহত হয়েছে।
আরেক গ্রুপের আওয়াল নুর জানান,২০০৪ সালেও তারা মার্ডার করে আমাদের উপর দোষ চাপিয়েছে। এটাও আমাদের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান জানান,খবর পেয়ে সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে পুলিশে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক। সংঘর্ষে পায়েল মিয়া নামে একজন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি।
What's Your Reaction?