সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানিতে ভেসে এলো অজ্ঞাত বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ

টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে এক অজ্ঞাত বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ। পরিচয়হীন সেই মরদেহ ঘিরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় নেমে আসে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। শেষ পর্যন্ত পরিচয় না মেলায় রাষ্ট্রীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (১১ জুন) কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাঘব-গেন্দুরাম এলাকার মাঝামাঝি ‘মাইডেলের সোতা’ নামক স্থানে একটি কাঠের সাঁকোর নিচে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা। পরে খবর পেয়ে হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহা আলম বিষয়টি কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে অবহিত করেন। পরে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজার নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলিয়াস রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউই ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। প

সুন্দরগঞ্জে বন্যার পানিতে ভেসে এলো অজ্ঞাত বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ

টানা বৃষ্টি আর উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে ভেসে এসেছে এক অজ্ঞাত বৃদ্ধার অর্ধগলিত মরদেহ। পরিচয়হীন সেই মরদেহ ঘিরে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকায় নেমে আসে শোক ও আতঙ্কের ছায়া। শেষ পর্যন্ত পরিচয় না মেলায় রাষ্ট্রীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে দাফন করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুন) কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রাঘব-গেন্দুরাম এলাকার মাঝামাঝি ‘মাইডেলের সোতা’ নামক স্থানে একটি কাঠের সাঁকোর নিচে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পান স্থানীয়রা।

পরে খবর পেয়ে হরিপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শাহা আলম বিষয়টি কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রকে অবহিত করেন। পরে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজার নির্দেশনায় উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুলিয়াস রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউই ওই বৃদ্ধার পরিচয় শনাক্ত করতে পারেননি। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। পরিচয় শনাক্তের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরদেহের তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়।

কঞ্চিবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মো. সেলিম রেজা বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে সৃষ্ট বন্যার পানিতে উজান থেকে মরদেহটি ভেসে এসে থাকতে পারে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৃদ্ধা কয়েকদিন আগেই মারা গেছেন। তার বয়স আনুমানিক ৫০ বছর। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় পরিচয় শনাক্ত কিংবা মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নির্ধারণ করা সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও জানান, পরিচয় শনাক্তের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সিআইডি ও পিবিআইয়ের সহায়তা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে জেলা প্রশাসনের অনুমোদনক্রমে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলাম, গাইবান্ধা-এর মাধ্যমে জেলা পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow