‘সুরের খেয়ায় হাজার বছর’ শীর্ষক সংগীত সম্মিলন অনুষ্ঠিত
রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রথম ব্যাচের (৮ম সেমিস্টার) শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সুরের খেয়ায় হাজার বছর’ শীর্ষক এক মনোজ্ঞ সংগীত সম্মিলন। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মিরপুর-আশুলিয়া বেড়িবাঁধের বিরুলিয়ায় অবস্থিত প্রিয়াঙ্কা শুটিং জোনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক গানের পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোধা ব্যক্তিত্ব রবিন খান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবু সাঈদ মো. মাসুদ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা। আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, বাংলা সংগীতের ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এ সংগীত সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানজুড়ে পরিবেশিত দেশাত্মবোধক, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক গানের পরিবেশনা উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের পরিবেশন দক
রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের প্রথম ব্যাচের (৮ম সেমিস্টার) শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সুরের খেয়ায় হাজার বছর’ শীর্ষক এক মনোজ্ঞ সংগীত সম্মিলন।
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৫টায় মিরপুর-আশুলিয়া বেড়িবাঁধের বিরুলিয়ায় অবস্থিত প্রিয়াঙ্কা শুটিং জোনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিক্ষার্থীরা দেশাত্মবোধক গান, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক গানের পরিবেশনার মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রবীন্দ্র সৃজনকলা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরোধা ব্যক্তিত্ব রবিন খান, ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) আবু সাঈদ মো. মাসুদ, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার বিকাশ, বাংলা সংগীতের ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করতেই এ সংগীত সম্মিলনের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানজুড়ে পরিবেশিত দেশাত্মবোধক, রবীন্দ্রসংগীত ও আধুনিক গানের পরিবেশনা উপস্থিত অতিথি ও দর্শকদের প্রশংসা কুড়ায়। প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ আয়োজন শিক্ষার্থীদের পরিবেশন দক্ষতা ও সাংস্কৃতিক চর্চার একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে ওঠে।
আয়োজকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্র আরও বিস্তৃত হবে এবং নতুন প্রজন্মের মধ্যে বাংলা সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ বাড়বে।
What's Your Reaction?