সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক

ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ৯ বছরেও এলাকাবাসীর কাজে আসেনি। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এতে ওঠানামার সুযোগ নেই। ফলে সেতু থাকার পরও এটি ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটি উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর শালেপুর মধ্য গ্রামের একটি খালের মধ্যে অবস্থিত। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৯ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের নির্মাণ করা হয়। ঠিকাদার সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক সংকটের কারণে এপ্রোচ সড়কের কাজ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, সেতু থাকা অবস্থায়ও আমাদের পানি দিয়ে চলাচল করতে হয়। ৯ বছর আগে সেতুটি করা হলেও সংযোগ সড়কের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সাকিবুল হাসান আরেকজন বলেন, সেতু দিয়ে সাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়েও চলাচল করা যায় না। মোটরসাইকেল নিয়ে ক

সেতু আছে, নেই সংযোগ সড়ক
ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দীর্ঘ ৯ বছরেও এলাকাবাসীর কাজে আসেনি। সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এতে ওঠানামার সুযোগ নেই। ফলে সেতু থাকার পরও এটি ব্যবহার করতে পারছেন না স্থানীয়রা। বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুটি উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের চর শালেপুর মধ্য গ্রামের একটি খালের মধ্যে অবস্থিত। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৯ বছর আগে সেতুটি নির্মাণ করা হলেও দুই পাশে প্রয়োজনীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। এতে দীর্ঘদিন ধরে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকার বাসিন্দারা। উপজেলা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সেতুটি নির্মাণে প্রায় ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৪০ ফুট দৈর্ঘ্যের নির্মাণ করা হয়। ঠিকাদার সূত্রে জানা গেছে, আর্থিক সংকটের কারণে এপ্রোচ সড়কের কাজ করা সম্ভব হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, সেতু থাকা অবস্থায়ও আমাদের পানি দিয়ে চলাচল করতে হয়। ৯ বছর আগে সেতুটি করা হলেও সংযোগ সড়কের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। সাকিবুল হাসান আরেকজন বলেন, সেতু দিয়ে সাইকেল, মোটরসাইকেল নিয়েও চলাচল করা যায় না। মোটরসাইকেল নিয়ে কোথাও যেতে হলে ভিন্ন সড়কে যেতে হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, লাখ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতু নির্মাণ করা হলেও সংযোগ সড়ক না থাকায় এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। বিশেষ করে বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। দ্রুত সেতুর দুই পাশে মাটি ভরাট করে চলাচলের উপযোগী সংযোগ সড়ক নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা। চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, সেতুর দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সাধারণ মানুষের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। যত দ্রুত সম্ভব দুই পাশে সড়ক নির্মাণ করা হোক, যাতে সাধারণ মানুষ এ সেতুর সুফল ভোগ করতে পারে। চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জুলহার হোসেন সৌরভ কালবেলাকে বলেন, সেতুটির বিষয়ে আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি। এর দুই পাশে এপ্রোচ সড়ক নেই। আমরা বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সরেজমিনে পরিদর্শন করব। তিনি আরও বলেন, চরাঞ্চলের মানুষের জন্য আমরা সব সময় তৎপর। কীভাবে তাদের জন্য ভালো কিছু করা যায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করব।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow