সৈয়দপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দেওয়া পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে শতভাগ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা। পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলার দিকনির্দেশনা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই পুরো পৌর এলাকা থেকে বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হয়। সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে পৌরসভার নির্ধারিত ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে। তবে এবছর কোরবানির পশুর কিছু চামড়া বিক্রি না হওয়ায় এবং গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল, যা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পৌরসভা দ্রুত বিশেষ উদ্যোগ নেয়। সরেজমিনে পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাদ্দাম মোড় এলাকায় দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সুপারভাইজার হাসান আলী রবির নেতৃত্বে তাৎক্ষণিকভাবে সেসব পরিত্যক্ত চামড়া অপসারণ করে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হয়। যাতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কোনো ঝুঁকি না থাকে। এছাড়া সর্বত্র ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার। পৌরসভার প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জাগো নিউজকে বলেন, পৌরবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশের ভারসা

সৈয়দপুর পৌরসভায় কোরবানির বর্জ্য শতভাগ অপসারণ

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি দেওয়া পশুর বর্জ্য দ্রুত অপসারণ করে শতভাগ পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করেছে নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভা।

পৌরসভার প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারাহ ফাতেহা তাকমিলার দিকনির্দেশনা এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে স্বল্প সময়ের মধ্যেই পুরো পৌর এলাকা থেকে বর্জ্য সরিয়ে নেওয়া হয়। সংগৃহীত বর্জ্য পরিবেশসম্মতভাবে পৌরসভার নির্ধারিত ভাগাড়ে ফেলা হয়েছে।

তবে এবছর কোরবানির পশুর কিছু চামড়া বিক্রি না হওয়ায় এবং গুণগত মান নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারণে রাস্তার পাশে ফেলে রাখা হয়েছিল, যা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে পৌরসভা দ্রুত বিশেষ উদ্যোগ নেয়।

সরেজমিনে পৌরসভার ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাদ্দাম মোড় এলাকায় দেখা যায়, পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সুপারভাইজার হাসান আলী রবির নেতৃত্বে তাৎক্ষণিকভাবে সেসব পরিত্যক্ত চামড়া অপসারণ করে নিরাপদ স্থানে মাটিচাপা দেওয়া হয়। যাতে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের কোনো ঝুঁকি না থাকে। এছাড়া সর্বত্র ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে ব্লিচিং পাউডার।

পৌরসভার প্রশাসক ফারাহ ফাতেহা তাকমিলা জাগো নিউজকে বলেন, পৌরবাসীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিশেষ করে পৌর পরিচ্ছন্নকর্মীদের সহযোগিতার তা করা সম্ভব হয়েছে।

এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পৌরসভা গঠনে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এএইচকিউ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow