সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরে ৭ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের ৭টি গ্রামে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে জেলার এসব গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। আগাম ঈদুল ফিতর পালন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনীপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল ও বামনেরচর। বহু বছর যাবত শেরপুরের এসব এলাকায় সৌদির সাথে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদ উদযাপন করেন স্থানীয় লোকজন। শুক্রবার আগাম ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামে সকাল ৯ টায়। আর সকাল ১১ টায় সবচেয়ে বড় জামাত হয় সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের চরখারচর গ্রামে। এসব এলাকায় ঈদের আনন্দে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়িতে বাড়িতে চলছে ঈদের আনন্দ। আর প্রস্তুত করা হয়েছে নানা রকম ঐতিহ্যবাহী খাবার। স্থানীয় মুসুল্লিরা জানান, পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার ওপর নির্ভর করে রোজা ও ঈদ পালন করেন তারা। শেরপুরে সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদ

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরে ৭ গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে শেরপুরের ৭টি গ্রামে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করা হয়েছে। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯ টা থেকে জেলার এসব গ্রামে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

আগাম ঈদুল ফিতর পালন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- শেরপুর সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের উত্তর চরখারচর ও দক্ষিণ চরখারচর, নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী পশ্চিমপাড়া ও গোবিন্দনগর ছয়আনীপাড়া, নকলা উপজেলার চরকৈয়া এবং ঝিনাইগাতি উপজেলার বনগাঁও চতল ও বামনেরচর। বহু বছর যাবত শেরপুরের এসব এলাকায় সৌদির সাথে মিল রেখে একদিন আগেই পবিত্র ঈদ উদযাপন করেন স্থানীয় লোকজন।

শুক্রবার আগাম ঈদের প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হয় নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামে সকাল ৯ টায়। আর সকাল ১১ টায় সবচেয়ে বড় জামাত হয় সদর উপজেলার বেতমারি ইউনিয়নের চরখারচর গ্রামে। এসব এলাকায় ঈদের আনন্দে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। বাড়িতে বাড়িতে চলছে ঈদের আনন্দ। আর প্রস্তুত করা হয়েছে নানা রকম ঐতিহ্যবাহী খাবার।

স্থানীয় মুসুল্লিরা জানান, পৃথিবীর যে কোন প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার ওপর নির্ভর করে রোজা ও ঈদ পালন করেন তারা। শেরপুরে সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় ৯ টা থেকে ১১ টার মধ্যে এসব গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত আদায় করছেন। প্রতি বছর ঈদ পালনকারীর সংখ্যাও ধীর গতিতে বেড়ে চলছে বলে জানান এলাকাবাসী।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow