সৌর বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্ধ শিল্পখাতকে আরও কার্যকর ও উৎপাদনমুখী করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে এসব খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করছে। তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল করা, নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। তিনি আরও বলেন, প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্

সৌর বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান বাণিজ্যমন্ত্রীর

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশের প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্ধ শিল্পখাতকে আরও কার্যকর ও উৎপাদনমুখী করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে এসব খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিতে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত ও ফলপ্রসূ আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে বিশেষভাবে উৎসাহিত করছে। তিনি বলেন, দেশের বিদ্যমান শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলো সচল করা, নতুন শিল্প স্থাপন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি বর্তমানে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।

তিনি আরও বলেন, প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ সম্পদসমৃদ্ধ শিল্পখাতকে কার্যকর করা এবং বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে এসব খাতকে উৎপাদনমুখী করা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য। এ প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে অস্ট্রেলিয়ার বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

সুসান রাইল বলেছেন, বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বর্তমানে প্রায় ৫.১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে—বিশেষ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে—বাংলাদেশে বিনিয়োগের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অস্ট্রেলিয়ার একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সবুজ জ্বালানি, উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তি সহযোগিতার সুযোগগুলো পর্যালোচনা করছে।

হাইকমিশনার বলেন, বর্তমানে প্রায় ২৮ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অস্ট্রেলিয়ায় অধ্যয়নরত রয়েছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান এ অংশীদারিত্বের ফলে অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে পরিণত হয়েছে

বৈঠকে উভয় পক্ষই বাণিজ্য, শিক্ষা ও শিক্ষা বৃত্তির ক্ষেত্র সম্প্রসারণ, ট্রেড নেগবাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও অবকাঠামো খাতে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. আবদুর রহিম খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এনএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow