স্টেডিয়ামের পরিছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়ালেন তামিম

শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে বলা হয় দেশের ‘হোম অব ক্রিকেট’। সেই মিরপুর স্টেডিয়াম পরিচ্ছন্ন রাখেন যারা, এতদিন তাদের বেতন ছিল মাসে মাত্র ৮ হাজার টাকা। তামিম ইকবালের বোর্ড তা বাড়িয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করেছে। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে বেতন বাড়ানোর আবদার নিয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তামিম শুধু তাদের আশ্বাসই দেননি, প্রতিশ্রুতি রক্ষাও করেছেন।  বিডিক্রিকটাইমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এ নিয়ে নিজেদের পূর্বপরিকল্পনার কথা খোলাসা করেছেন অডিট কমিটি, সিকিউরিটি কমিটি এবং টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইবরাহিম আহমেদ। তিনি জানান, ‘এটি আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালের সেই অঙ্গীকারেরই অংশ, যা আমরা অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় করেছিলাম, শুধু আমাদের ক্রিকেটারদের নয়, বরং মাঠে ক্রিকেটকে সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পুরো দলটির কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য।’ তিনি লিখেছেন, ‘ক্রিকেট শুধুমাত্র জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামা খেলোয়াড়দের নিয়েই নয়। প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি অনুশীলন সেশন এবং প্রতিটি সফল আয়োজনের পেছনে থাকে একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ

স্টেডিয়ামের পরিছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়ালেন তামিম

শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামকে বলা হয় দেশের ‘হোম অব ক্রিকেট’। সেই মিরপুর স্টেডিয়াম পরিচ্ছন্ন রাখেন যারা, এতদিন তাদের বেতন ছিল মাসে মাত্র ৮ হাজার টাকা। তামিম ইকবালের বোর্ড তা বাড়িয়ে সাড়ে ১২ হাজার টাকা করেছে।

বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের কাছে বেতন বাড়ানোর আবদার নিয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। তামিম শুধু তাদের আশ্বাসই দেননি, প্রতিশ্রুতি রক্ষাও করেছেন। 

বিডিক্রিকটাইমে খবর প্রকাশিত হওয়ার পর এ নিয়ে নিজেদের পূর্বপরিকল্পনার কথা খোলাসা করেছেন অডিট কমিটি, সিকিউরিটি কমিটি এবং টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইবরাহিম আহমেদ।

তিনি জানান, ‘এটি আমাদের সভাপতি তামিম ইকবালের সেই অঙ্গীকারেরই অংশ, যা আমরা অ্যাডহক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় করেছিলাম, শুধু আমাদের ক্রিকেটারদের নয়, বরং মাঠে ক্রিকেটকে সচল রাখতে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়া পুরো দলটির কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্য।’

তিনি লিখেছেন, ‘ক্রিকেট শুধুমাত্র জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামা খেলোয়াড়দের নিয়েই নয়। প্রতিটি ম্যাচ, প্রতিটি অনুশীলন সেশন এবং প্রতিটি সফল আয়োজনের পেছনে থাকে একদল নিবেদিতপ্রাণ মানুষ, যাদের অবদান প্রায়ই চোখের আড়ালে থেকে যায়। আমাদের পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করে স্টেডিয়ামের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখেন, পেশাদার মান বজায় রাখেন এবং নিশ্চিত করেন যেন খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও দর্শকরা সর্বোচ্চ মানের অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারেন।’


বিসিবি নির্বাচনে তামিম ইকবাল, সাঈদ ইবরাহিমসহ যারা নির্বাচিত হয়েছেন- তাদের অনেকে ছিলেন এর আগে গঠিত অ্যাডহক কমিটিতেও। তখনই তারা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।

সাঈদ ইবরাহিম আহমেদ জানান, ‘অ্যাডহক কমিটির যাত্রার শুরু থেকে আজ পর্যন্ত আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় অটল থেকেছি। সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন, খেলোয়াড় গঠন কিংবা কর্মীদের কল্যাণ; প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের লক্ষ্য ছিল কথাকে কাজে রূপ দেওয়া। এই বেতন বৃদ্ধি সেই অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এবং এটি প্রমাণ করে যে বোর্ড ক্রিকেট পরিবারের প্রতিটি সদস্যের অবদানকে মূল্যায়ন করে। পরিশ্রম ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সকল কর্মীকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের অবদান অত্যন্ত মূল্যবান, এবং ভবিষ্যতেও তা যথাযথভাবে স্বীকৃত হবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow