স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর শিশুসন্তান সঙ্গে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ওই ব্যক্তি তাদের শিশুসন্তান সঙ্গে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন। শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরের পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত নারীর নাম হালিমা আক্তার রুহি (৩০)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর এলাকার আব্দুল মান্নানের মেয়ে। তার স্বামী জহিরুল ইসলাম পেশায় লেগুনাচালক। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে পারিবারিক বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা তীব্র বাগবিতণ্ডায় রূপ নেয়। এ সময় জহিরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর জহিরুল ইসলাম তাদের শিশুসন্তানকে নিয়ে সরাসরি পতেঙ্গা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি থান

স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর শিশুসন্তান সঙ্গে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ

চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর ওই ব্যক্তি তাদের শিশুসন্তান সঙ্গে নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করেছেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) সন্ধ্যায় নগরের পতেঙ্গা থানার ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত নারীর নাম হালিমা আক্তার রুহি (৩০)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর এলাকার আব্দুল মান্নানের মেয়ে। তার স্বামী জহিরুল ইসলাম পেশায় লেগুনাচালক।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিকেলে পারিবারিক বিষয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা তীব্র বাগবিতণ্ডায় রূপ নেয়। এ সময় জহিরুল ইসলাম ধারালো অস্ত্র দিয়ে স্ত্রীকে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর জহিরুল ইসলাম তাদের শিশুসন্তানকে নিয়ে সরাসরি পতেঙ্গা থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

পতেঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

এমআরএএইচ/বিএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow