স্ত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, ১৩ বছর পর স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ১৩ বছর আগে স্ত্রী ফাহিমা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী জীবন হোসেন ওরফে মুকুলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার দশম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুকুল ইসলাম দেওয়ান সাজার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জামিনে গিয়ে আসামি পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মুকুল এবং মোছা. ফাহিমা বেগম। তাদের ৬ মাসের একটা ছেলে সন্তান রয়েছে। মুকুল চট্টগ্রামে ফার্ণিচারের কাজ করত। হত্যাকাণ্ডের ঘটানোর কয়েকদিন আগে তারা ভাটারা এলাকায় আসেন। মুকুল পরনারীর প্রতি আসক্ত ছিল। ফাহিমাকে অত্যাচার-নির্যাতন করত। ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাওয়া-দাওয়া শেষে তারা ঘুমোতে যায়। পরদিন সকাল ৭টার দিকে মুকুল ও ফাহিমার ছেলের কান্নার শব্দ শুনতে পায় প্রতিবেশীরা। তারা ফাহিমার পা বাঁধা অবস্থায় দেখেন এবং নাক-মুখ দিয়ে বোগলা বেরোনো দেখেন। হত্যার অভিযোগ
রাজধানীর ভাটারা এলাকায় ১৩ বছর আগে স্ত্রী ফাহিমা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে স্বামী জীবন হোসেন ওরফে মুকুলকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার দশম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী ফারুকুল ইসলাম দেওয়ান সাজার তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, দণ্ডের পাশাপাশি আসামিকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। জামিনে গিয়ে আসামি পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০১২ সালের বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন মুকুল এবং মোছা. ফাহিমা বেগম। তাদের ৬ মাসের একটা ছেলে সন্তান রয়েছে। মুকুল চট্টগ্রামে ফার্ণিচারের কাজ করত। হত্যাকাণ্ডের ঘটানোর কয়েকদিন আগে তারা ভাটারা এলাকায় আসেন। মুকুল পরনারীর প্রতি আসক্ত ছিল। ফাহিমাকে অত্যাচার-নির্যাতন করত। ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ১০টার দিকে খাওয়া-দাওয়া শেষে তারা ঘুমোতে যায়। পরদিন সকাল ৭টার দিকে মুকুল ও ফাহিমার ছেলের কান্নার শব্দ শুনতে পায় প্রতিবেশীরা। তারা ফাহিমার পা বাঁধা অবস্থায় দেখেন এবং নাক-মুখ দিয়ে বোগলা বেরোনো দেখেন।
হত্যার অভিযোগ এনে পরদিন ফাহিমার বড় ভাই সিরাজুল ইসলাম ভাটারা থানায় মামলা করেন। ফাহিমাকে ওড়না দিয়ে পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ আনেন মুকুলের বিরুদ্ধে।
মামলাটি তদন্ত করে ২০১৪ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মুকুলকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা (ভাটারা থানার এসআই) শহিদুল ইসলাম। ২০১৫ সালের ১ জুন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জন সাক্ষীর মধ্যে ৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে। মামলার আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বুধবার আদালত থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় এল।
What's Your Reaction?