স্ত্রীর মামলায় পুলিশ সার্জেন্টের কারাদণ্ড
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক পুলিশ সদস্যকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট নগরীরর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। এর আগে আদালতে মামলা দায়ের আবেদন করা হলে নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা রেকর্ড করার আদেশ দেয় আদালত। সোমবার (২০ এপ্রিল) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোস্তাক আহমেদের আদালতে শুনানিতে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. নাজিম উদ্দিনের এক বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন। ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পুলিশ সার্জেন্ট মো. নাজিম উদ্দিন (৫০) চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার তেকোটা গ্রামের মৃত খায়ের আহম্মেদের ছেলে। মামলা চলাকালে এ দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। মো. নাজিম উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার আগে ঢাকায় আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত ছিলেন। মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালে মো. নাজিম উদ্দিন লালমনিরহাটের বাসিন্দা ওই নারীকে বিয়ে করেন। এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে। মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ফ্ল
যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক পুলিশ সদস্যকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট নগরীরর কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়। এর আগে আদালতে মামলা দায়ের আবেদন করা হলে নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা রেকর্ড করার আদেশ দেয় আদালত।
সোমবার (২০ এপ্রিল) চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মোস্তাক আহমেদের আদালতে শুনানিতে ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. নাজিম উদ্দিনের এক বছরের কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পুলিশ সার্জেন্ট মো. নাজিম উদ্দিন (৫০) চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার তেকোটা গ্রামের মৃত খায়ের আহম্মেদের ছেলে। মামলা চলাকালে এ দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। মো. নাজিম উদ্দিন সাময়িক বরখাস্ত হওয়ার আগে ঢাকায় আর্মড পুলিশ ব্যাটেলিয়নে (এপিবিএন) কর্মরত ছিলেন।
মামলার নথি থেকে জানা গেছে, ২০০৪ সালে মো. নাজিম উদ্দিন লালমনিরহাটের বাসিন্দা ওই নারীকে বিয়ে করেন। এ দম্পতির দুটি সন্তান রয়েছে।
মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য স্ত্রীর কাছে ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন নাজিম উদ্দিন। এ টাকার জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান। ২০২০ সালের মার্চ ও জুনে একাধিকবার স্ত্রীকে নির্যাতন করেন নাজিম উদ্দিন। সবশেষ ওই বছরের ১৪ জুন সন্ধ্যায় টাকা না দেওয়ায় স্ত্রীকে মারধর ও গলা টিপে হত্যার চেষ্টা করেন তিনি। ওই দম্পতি তখন নগরীর কোতোয়ালি থানার অধীন আসকার দিঘীর পাড় এলাকায় থাকতেন। সেসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে নাজিম উদ্দিনের স্ত্রীকে উদ্ধার করে। পরে তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন।
ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের আবেদন করা হলে নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা রেকর্ড করার আদেশ দেয় আদালত। এরপর ২০২০ সালের ১৭ আগস্ট থানায় মামলা করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দিলে ২০২১ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়।
ট্রাইব্যুনালের পিপি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, যৌতুকের জন্য স্ত্রীর করা নির্যাতনের মামলায় ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মো. নাজিম উদ্দিনকে এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আপিলের শর্তে আদালত আসামিকে জামিন দিয়েছে বলে জানিয়েছেন পিপি আলমগীর মোহাম্মদ ইউনুছ। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?