স্ত্রী ও তিন ছেলে প্রবাসে, ঘরে মিলল নিঃসঙ্গ বাবার গলিত লাশ
চট্টগ্রামের চন্দনাইশের সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকায় নিজ ঘর থেকে আবদুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে গাউসিয়া কমিটির চন্দনাইশ মানবিক টিমের সদস্যরা চন্দনাইশ থানা পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত আবদুর রহমান সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকার মৃত কালা মিয়া সওদাগরের ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রহমানের তিন ছেলে প্রবাসে বসবাস করেন। তার স্ত্রীও বিদেশের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একসময় আবদুর রহমানও ছেলেদের সঙ্গে বিদেশে থাকলেও প্রায় এক বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকে তিনি নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন এবং নিজেই রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজ করতেন। গাউসিয়া কমিটির চন্দনাইশ মানবিক টিমের প্রধান ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইন ফারুকী জানান, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি ঘরে এক বৃদ্ধের পচাগলা মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান। পরে পুলিশের অনুমতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সর্বশেষ গত শুক্রবার আবদুর রহমানকে এলাকায় দেখা গিয়ে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশের সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকায় নিজ ঘর থেকে আবদুর রহমান (৬৫) নামে এক বৃদ্ধের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে গাউসিয়া কমিটির চন্দনাইশ মানবিক টিমের সদস্যরা চন্দনাইশ থানা পুলিশের সহযোগিতায় মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত আবদুর রহমান সাতবাড়িয়া ইউনিয়নের নগরপাড়া এলাকার মৃত কালা মিয়া সওদাগরের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবদুর রহমানের তিন ছেলে প্রবাসে বসবাস করেন। তার স্ত্রীও বিদেশের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন। একসময় আবদুর রহমানও ছেলেদের সঙ্গে বিদেশে থাকলেও প্রায় এক বছর আগে দেশে ফিরে আসেন। এরপর থেকে তিনি নিজ বাড়িতে একাই বসবাস করতেন এবং নিজেই রান্নাবান্নাসহ দৈনন্দিন কাজ করতেন।
গাউসিয়া কমিটির চন্দনাইশ মানবিক টিমের প্রধান ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মাওলানা সোলাইন ফারুকী জানান, সোমবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি ঘরে এক বৃদ্ধের পচাগলা মরদেহ পড়ে থাকার খবর পান। পরে পুলিশের অনুমতি নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সর্বশেষ গত শুক্রবার আবদুর রহমানকে এলাকায় দেখা গিয়েছিল। এরপর থেকে তাকে আর কেউ দেখেননি।
চন্দনাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. লিটন মিয়া জানান, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে। গাউসিয়া কমিটির মানবিক টিমের সহযোগিতায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয়দের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার আবদুর রহমান সর্বশেষ তার প্রবাসে থাকা ছেলেদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, শুক্রবার রাতে তিনি স্ট্রোক বা অন্য কোনো কারণে মারা যেতে পারেন। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।
What's Your Reaction?